themesbaz_sky_19
ঘোষনা :
জাগোদেশ২৪ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে জাগোদেশ২৪ ডটকমের সাথে থাকুন । জাগোদেশ২৪ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। ই-মেইল:
পুরাতন খবর খুজছেন ?

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কাটাপোল গ্রামে দু’টি হিন্দু সম্প্রদায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কাটাপোল গ্রামে দু’টি হিন্দু সম্প্রদায় পরিবারের ওপর ক্ষমতাসিন দলের কর্মি- সমর্থকদের হামলা-নির্যাতনের ও বাড়ী থেকে গরু খুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বুধবার সন্ধ্যায় সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিচার সালিসের আশ্বাসে এখনও কোন মামলা-মোকদ্দমা হয়নি। তবে আবারও হামলার শিকার হতে পারে এমন আশঙ্কায় রয়েছে ওই গ্রামের হিন্দু পরিবারগুলো। উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের কাটাপোল গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে রনি হাসান(২০) বলেন,আমাকে সেনাবাহিনীতে চাকুরি দেয়ার কথা বলে উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের ডা.শফিউদ্দিন শফি গত ২-৩ বছর আগে দু’লাখ টাকা নেয়। ডা.শফির সাথে আমাকে গ্রামের বিজন কুমার পরিচয় করিয়ে দেয় এবং তাকে টাকা দিলে শতভাগ চাকুরির নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ডা,শফি আমার চাকুরির ব্যবস্থাও করেন না আবার টাকাও ফেরত দেন না। বিজন কুমাররা আমার টাকার জিম্মাাদার হয়েছিল এজন্যই তাদের গরু নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

কাটাপোল গ্রামের স্বপন কুমার বিশ্বাসের ছেলে বিজন কুমার বিশ্বাস বলেন,রনি হাসান সেনা বাহিনীতে চাকুরির জন্য ডা. শফিকে টাকা দিয়েছেন আমরা জানি। কিন্তু ডা.শফি চাকুরি দিতে পারবেন কি পারবেন না সেটা তো আর আমাদের জানার কথান নয়। এ অবস্থায় কোন কিছু আমাদেরকে না জানিয়ে রনি ও তার কামাল হোসেন এবং জয়নাল মন্ডলের ছেলে টোটন হঠাৎ করেই বুধবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে আমার কাকা নিরা কুমার বিশ্বাসের বাড়ী থেকে একটি গাভী ও একটি বাছুর গরু খুলে নিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যার সময় আবার আমাদের বাড়ীতে প্রবেশ করে আমাদের গরু খুলে নিয়ে যাওয়ার সময় আমরা বাঁধা দিলে তারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে অসীমা রানী,শ্যামলী রানী,চায়না বিশ্বাস, রেনুবালাকে আহত করে। পরে রাতের বেলা গ্রামের মেম্বার সন্টু মিয়া গরু দু’টি ফেরত দেয়।
কাটাপোল গ্রামের অমল বিশাস বলেন,ঘটনার ব্যাপারে আমরা থানায় মামলা দিতে গেলে হাসাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস ও মেম্বার সন্টু মিয়া বিচার করার আশ্বাস দিয়ে আমাদেরকে বাড়ী পাঠিয়ে দিলেও এখনও পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আমাদের এখন শঙ্কা আবারও রনি হাসানরা আমাদের ওপর হামলা করে কি-না। কারণ তারা এখনও আমাদেরকে নানা ভাবে হুমকি ধামকী দিতেছে। হাসাদহ ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান সন্টু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,গরু দু’টি আমি রাতেই উদ্ধার করে মালিকদের ফেরত দিয়েছি। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান এবং আমি স্থানীয় ভাবে আপস নিস্পত্তির আশ্বাস দিয়েছি। জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ গনি মিয়া বলেন,ঘটনার ব্যাপারে আমি কোন কিছু জানি না এবং কেউ ঘটনার ব্যাপারে জানায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © 2019 jagodesh24.com
Design & Developed BY Anamul Rasel