চেক প্রদানকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এটি আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা এমন একজন ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি সবসময় আমাদের অসহায় ক্রীড়াবিদদের সহযোগিতা করে থাকেন। স্পোর্টস এর উন্নয়নে আমরা যখনই যা চেয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তা আমাদের দিয়েছেন। তিনি করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ খেলোয়াড়দের সহায়তা করতে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি অসহায় দুস্থ ক্রীড়াসেবীদের জন্য বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যান ফাউন্ডেশনকে ১০ কোটি টাকা প্রদান করেছেন। উদীয়মান ফুটবলার উন্নতি খাতুনকে প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমি খুবই আনন্দিত যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আমি দারুণ ভাবে উৎসাহিত। আমি দেশের জন্য সেরাটাই দেবার চেষ্টা করব। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। উল্লেখ্য, উন্নতি খাতুন গত বছর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালিকা (অনুর্ধ ১৭) সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন। শৈলকুপার দোহারো গ্রামের ভ্যানচালক বাবা আবু দাউদ এবং গৃহিনী মা হামিদা খাতুন দম্পতির ৭ সন্তানের ষষ্ঠ উন্নতি। ভর্তি হয়েছেন বিকেএসপিতে। তবে এর আগেই তিনি জায়গা করে নিয়েছেন বাফুফের আবাসিক ক্যাম্পে। অনূর্ধ্ব-১৫ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলে বয়সভিত্তিক জাতীয় দলেও অভিষেক হয়েছে তার।