বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
আলমডাঙ্গায় ৬ দিনে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান লকডাউন অমান্য করায় ৮ জনকে জরিমানাআইন অমান্য কারিদের কঠর সর্তকবাণী কুমারখালী উপজেলার গড়াই নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার মো কামরুজ্জামান পুত্রবধূ ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় শ্বশুর গ্রেপ্তার স্ত্রীর পরকীয়ায় প্রাণ গেল স্বামীর লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে গ্রেফতার আরও ৫৬২ সিরাজদীখানে লকডাউনে বিয়ের আয়োজন, কনের পিতার জরিমানা মেহেরপুরে নতুন করে আরও ৯৬ জন করোনা আক্রান্ত! মৃত্যু-১ ঝিনাইদহে করোনা ও উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৬ জন গাংনীতে বেড়েছে স্টেরয়েডের ব্যবহার দামুড়হুদায় লকডাউনের বাস্তবায়নের প্রশাসন কঠোর ভূমিকায়

কার্পাসডাঙ্গা পীরপুরকুল্লার ব্রাকের কর্মী সাইফুল হত্যার এজাহার ভুক্ত পলাতক ৫ আসামী রতন – আ:হাই-সাখাওয়াৎ-স্বপন-মামুন ঢেঁকির এর অপরাধ জগতের উত্তান

Reporter Name / ২০৬২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন

ষ্টাফ রিপোর্টার:চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের নতুনপাড়ার আব্দারের ছেলে ব্রাকের কর্মী সাইফুল হত্যার এজাহার ভুক্ত পলাতক আসামী খোদাবক্সের ছেলে রতন,স্বপন, আলী মোল্লার ছেলে আ:হাই,নুর আলীর ছেলে সাখাওয়াৎ,নজুর ছেলে মামুন ঢেঁকির এর অপরাধ জগতের উত্তান কাহিনি অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে নানান রকমের চাঞ্চল্যকর তথ্য।অনুসন্ধানে জানা গেছে রতন ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ছিল বিএনপির একনিষ্ঠ একজন কর্মী।তার পরিবারের অনেক লোকজন ও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।২০০৮ সালের নির্বাচনের পর রতনের এক আত্মীয়ের কারনে রতনের ভাগ্য ফিরে যায়।রতন কুড়ুলগাছি ঠাকুরপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশু পাচার(ধুর) (ভারতে আত্মীয় আছে বাংলাদেশে বসবাস করে বিনা পার্সপোর্টে গোপনে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যায় এদের ধুর বলে)।এ ব্যাবসায় জড়িয়ে পড়ে রতন ও আ:হাই। জনপ্রতি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়ে তাদের ভারতে পৌঁছে দিতো এ দুজন।পরবর্তীতে ঠাকুরপুর সীমান্তদিয়ে ভারতীয় গরু, মোটরসাইকেল,সাইকেলের চোরাকারবারী শুরু হলে রতন ও আ:হাই জড়িয়ে পড়ে এ চোরাচালানানিতে।এক পর্যায়ে রতন ও আ:হাই নিজেদের প্রশাসনের সোর্স পরিচয় দিয়ে চোরাকারবারীদের কাছে তুলতে থাকে অবৈধ পয়সা।রাতারাতি লাখপতি বনে যায় দুজনে। আ:হাই ও রতন মিলে শুরু করে ভারতীয় পেঁয়াজ সহ নানান ধরনের অবৈধ ব্যাবসা।পীরপুরকুল্লা গ্রামে হয়ে উঠে অপ্রতিরোধ্য।যে আ:হাই এর কয়েক বছর পূর্বেও ঝাঁপের বেড়ার ঘর ছিলো সে অবৈধ টাকা পেয়ে তার ছেলেকে সিঙ্গাপুর পাঠায়।সেখানে সে কিছুদিন থেকে চলে আসে বাড়িতে। আ:হাই রাতারাতি অবৈধ টাকা আয় করে কয়েকবছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা খরচ করে তৈরী করে আলিশান বাড়ি,টয়লেট ও বাথরুম।রাতারাতি চেহারা ফিরে যায় আ:হাই ও রতনের। আর এতে সাহায্যকারী হিসাবে কাজ করে রতনের ভাই কথিত ছাত্রফেডারেশনের জেলা সাধারন সম্পাদক স্বপন ও তার আরেক চাচাতো ভাই সাখাওয়াৎ ও মামুন ঢেঁকি।রতন ও আ:হাই ধরাকে সড়াজ্ঞ্যান মনে করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে শুরু করে।রতন ও আ:হাই এর ক্ষমতার দাপটে চোরাকারবারীদের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করতে থাকে সাখাওয়াৎ।রতন ও আ:হাইকে তাঁর চোরাচালানির পার্টনার ও করে নেই।শেষমেষ আ:হাই ও রতন পীরপুরকুল্লায় একটি ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষকদের বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে দ। সবশেষ ব্রাকের কর্মী সাইফুল হত্যা মামলায় আসামী হয় রতন,আ:হাই,স্বপন, সাখাওয়াৎ,মামুন ঢেঁকি।নাম না প্রকাশ করার শর্তে অনেকে বলেন রতন ও আ:হাই এর হাত অনেক লম্বা।তারা কি ক্ষমতা ও টাকার প্রভাবে শেষমেষ পার পাবে। না সাইফুল হত্যা মামলায় তাদের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।সাইফুলের বাবা আরো জানান এ পাঁচজনের সাথে রহেদ ও সাদ্দাম ও জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে বের করা হোক ।সচেতন মহল সহ এলাকাবাসীর দাবী যাতে করে সাইফুল হত্যা মামলার এসব আসামীরা কোন ভাবেই ছাড় না পাই ও সাইফুলের পরিবার যেন ন্যায় বিচার পাই সেজন্য চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল


এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর