মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে ৯ নভেম্বর বিকালে বিপাশা খাতুন শ্বশুড় বাড়ি যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার বড়খাপুর গ্রাম থেকে পিতার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার।জীবননগর আন্দুলবাড়িয়া গ্রামে আসছিল। বিপাশা খাতুন গাড়ি থেকে নেমে জীবননগর আন্দুলবাড়িয়া বাজারের দাড়ায়। এরপর পায়ে হেটে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় গ্রামের মাঠে তাকে একা পেয়ে হাবিল হোসেন, লিপন আলিসহ ৫-৭ জন মিলে বিপাশা খাতুনকে জোরপূর্বক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটরসাইকেল যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। গৃহবধূর পরিবার বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ ৩ দিন পর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রাম থেকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে। অভিযুক্তরা পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। ১২ নভেম্বর হারেজ মন্ডল বাদি হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে জীবননগর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
জীবননগর থানার এসআই শেখ আজগর আলি মামলার তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ ৫ বছর পর ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক একজন।আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৪ বছর করে কারাদন্ড ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় লিপন আলি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামি হাবিল হোসেন পালাতক রয়েছে।