ঘোষনা :
জাগোদেশ২৪ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে জাগোদেশ২৪ ডটকমের সাথে থাকুন । জাগোদেশ২৪ডটকমের জন্য  সকল জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। ই-মেইল:
Mujib Borsho
পুরাতন খবর খুজছেন ?

চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর নলবিলা গ্রামে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে ভাসুরের পরকীয়া

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা সদর নলবিলা গ্রামে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে ভাসুর রাজ্জাক কসাইয়ের অবৈধসম্পর্কের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাজ্জাকের বিরুদ্ধে পুলিশে করা হয়েছে অভিযোগ। অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলে বসে সালিশ বৈঠক। সালিশ বৈঠকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে অভিযুক্ত রাজ্জাক কসাইকে।

প্রশ্ন উঠেছে জরিমানার টাকা কার পকেটে কত গেল ? জারিমানার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে এলাকায় বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের নলবিলা গ্রামের মৃত ক্ষুদে কসাইয়ের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক কসাই বেশ কিছু দিন ধরে ছোট ভাই রবিউল ইসলামের স্ত্রী মেঘনা বেগমের সাথে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলে। রাজ্জাক বিয়ে নিয়ে টালবাহানা শুরু করলে মেঘলা তার বিরুদ্ধে পুলিশের নিকট অভিযোগ করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর এ নিয়ে বসে সালিস বৈঠক। সূত্র জানিয়েছে সালিশ বৈঠকে অভিযুক্ত রাজ্জাককে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করে সালিশকারীরা। জরিমানার টাকার মধ্যে মেঘলা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতে পেলেও বাকি টাকা ভাগাভাগি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে বাকি টাকা কার পকেটে কত ঢুকলো। বিষয়টি নিয়ে হিজলগাড়ী বাজার এলাকায় বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। এ ব্যাপারে তিতুদহ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রাশেদ রেজা বলেন, বিষয়টি নিয়ে হিজলগাড়ি ক্যাম্পে বসার কথা থাকলেও পরে কি হয়েছে বলতে পারব না। নেহালপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক পশু চিকিৎসক ডাক্তার রহিদুল ইসলাম বলেন, রাশেদ ভালো বলতে পারবে। এ ব্যাপারে আমি ভূমিকায়ও নেই, তদরকীতেও নেই। ক্যাম্পে বসার কথা ছিল বসা হয় নি সেটা থানায় গিয়ে মিটেছে। তবে কীভাবে হয়েছে তা আমার জানা নেই।যুগ্ম-আহবায়ক হাবিবুর রহমান বলেন, আমি বাসায় ছিলাম না ওইদিন সারাদিন পরিষদে
চেয়ারম্যানের কাছে ছিলাম। পরে বাড়ী এসে শুনলাম একটা ভেজাল হয়েছে ওটা প্রশাসন না- কী মিটগুট করে দিয়েছে। এ ঘটনার মধ্যস্থতাকারী ছোট সলুয়া গ্রামের মৃত ছাব্দার হোসেনের ছেলে খাইরুল ইসলামের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে লম্পট রাজ্জাক কসাই গ্রেফতার ও সালিশ বৈঠকে জরিমানার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে
এলাকাই বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © 2019 jagodesh24.com
Design & Developed BY Anamul Rasel
Shares
RSS
Follow by Email