নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের আনন্দবাস মিয়া মুনসুর একাডেমির ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক বায়েজিদের বিরুদ্ধে সাইন্সের ছাত্র না হয়েও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাইন্সের সাবজেক্ট নেওয়া সহ প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে আনন্দবাস গ্রামের মোসলেমের ছেলে (মসলেম রাজাকার হিসাবে পরিচিত) বায়েজিদ ডিপ্লোমা শাখায় পড়াশোনা করে আনন্দবাস মিয়া মুনসুর একাডেমিতে ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন।এ বিষয়ে ।তিনি ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক হলেও বিদ্যালয়ের সাইন্সের ছাত্রদের ক্লাস নেন ও সাইন্সের সাবজেক্টে প্রাইভেট পড়ান। ডিপ্লোমা পড়ে একজন শিক্ষক সাইন্সের সাবজেক্ট কিভাবে পড়ান তা শুনে হতবাক হয়ে পড়েছেন এলাকার অভিভাবক সহ সচেতন মহল।এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন নাম্বারটপ বন্ধ পাওয়া যায়। একজন রাজাকারের ছেলে কিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাই এবং সে কি বিদ্যালয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষে কথা বলে নাকি তার বাবার কাছে জানা পাকা হানাদার বাহিনির গুনকীর্তন করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে সেটাও খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থা গুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।বাংলাদেশ সরকার যখন রাজাকারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ঠিক সেই মুর্হতে একজন রাজাকারের সন্তান কাকে ম্যানেজ করে কত টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে সেটা ভাবিয়ে তুলেছে অনেককে।মুজিবনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন জানান বায়েজিদের বাবা মসলেম একজন রাজাকার ছিলো সে এলাকায় মসলেম রাজাকার নামেই পরিচিত।এ বিষয়ে বায়েজিদের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি একদিন সাইন্সের সাবজেক্টে ক্লাস নিয়েছিলাম,তাছাড়া ডিপ্লোমাতেও তো সাইন্সের কয়েকটা বিষয়ে পড়ানো হয়।আমি তো জানি সাইন্সের সাবজেক্ট সম্পর্কে ।বায়েজিদের এহেন কর্মকান্ডে বায়েজিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা নিতে মেহেরপুর জেলা শিক্ষা অফিসারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন