খুলনা প্রতিবেদকঃ খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে খনন করা হচ্ছে পাটনিখালি ও ভান্ডার পোল মৌজার কাটাখালি খাল। তবে খাল খনন করে মাটি খালের দু’ধারের কৃষকদের তরমুজ খেতে ফেলায় চরম ক্ষতির সম্মখিন হচ্ছে প্রায় ৮৫ জন তরমুজ চাষি। কৃষকরা একাধিক বার বাধা দিলেও ফসল ক্ষতি করে চলছে খনন কাজ। এমন অভিযোগ এলাকা বাসির। সরজমিনে বুধবার পাটনিখালি বিলে যেয়ে দেখা যায় কাটাখালি খালটির পূর্বদিক থেকে শুরু করে পশ্চিম দিকে খাল খননের কাজ চলছে আর খনন করে মাটি ফেলা হচ্ছে তরমুজ গাছের উপর। পাটনিখালি গ্রামের তরমুজ চাষী দীনেশ চন্দ্র রায় বলেন, ৫ বিষা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি,ফলনও ভালো। তবে পানির সমস্যার কারনে অনেক কষ্ট করে গাছ বাচিয়ে রেখেছি। কিন্তু খাল খনন করেখেতের তরমুজ গাছের উপর দিয়ে মাটি ফেলে আসায় ফলাদি গাছের অনেক ক্ষতি হয়েছে। একই গ্রামের মামুন শেখ বলেন, এবার ৮ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি এভাবে খাল খনন করে ফসলের উপর দিয়ে মাটি ফেলে গেলে তারও ব্যাপক ক্ষতি হবে। এমন অভিযোগ অন্যান্য চাষীদের ও চাষিরা বলেন খাল খনন করছে ভালো কথা আমাদের উপকার হবে, তবে আমাদের ফসলের ক্ষতি না করে খালটি আরো ২ টা মাস পরে খনন করলে আমাদের কোন ক্ষতি হতোনা। কৃষকরা আরো এসময় খনন করলেও খালটি ম্যাপ অনুযায়ী খাস জমির উপর দিয়ে খনন করলে আমাদের ফসলের কোন ক্ষতি হতনা। চাষিরা ম্যাপ অনুযায়ী খনন করার দাবি জানান । কয়রা উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত মৎস্য কার্মকর্তা এস এম আলাউদ্দিন বলেন, ওখানে খাল কনন করা খুব জরুরি তাই খাল খনন শুরু করা হয়েছে। ফসল নষ্ট করে কেন খাল খনন করা হচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামনে বৃষ্টির সময়, এ সময় খাল খনন না করা হলে বৃষ্টির সময় খনন করা সম্ভব হবেনা। তাছাড়া দেরি হলে প্রকল্পটি চলে যেতে পারে।