নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা আ.লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এ্যাড. শফিকুল ইসলাম শফিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে জেলা শহরের রেলবাজার এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটরা পর চুয়াডাঙ্গা শহর উত্তাপ্ত হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ্যাড. শফিকুল ইসলাম শহরের রেলপাড়ায় ইউসুপ আলী মাষ্টারের ছেলে। অগ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরের বিভিন্ন সদর পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ্যাড. শফি রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের রেলপাড়ায় পুলিশ ফাঁড়ির কাছে জনতা ব্যাংকের নিচে বসে ছিলো। এসময় ৩টি মোটরাসাইকেলে ৮-৯ জনের একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে শীফর ওপর হামলা করে। দুর্বৃত্ত তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালেল কনসালট্যান্ট ডাঃ ওলিয়ার রহমান নয়ন দেশ সংবাদকে বলেন, এ্যাড. শফির মাথা,পেট ও পিটে কয়েকটি কোপ লেগেছে।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। এই ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুন তারে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। অন্যদিকে রাত ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু’র নেৃত্বতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে শহরের চৌররাস্তা মোড়ে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলার চেয়ারম্যান হাজী আশাদুল হক বিশ্বাস, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কবির, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জানিফ সহ আ.লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এদিকে এ্যাড, শফির ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আজ ( রোববার) চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবি সমিতির উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।