বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লোভে পড়ে মা ও মেয়েকে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চৌহাট ইউপির নিকলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন- ওই ইউপির বাসিন্দা মোকাদ্দেস আলীর স্ত্রী সামেলা বেগম ও তার মেয়ে রেহেনা আক্তার পলি। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার মুন্সিরচর গ্রামের পুলিশের এসআই আনিসুর রহমান ও তার ভাই আতুল্লাচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শহিদুর রহমান। স্থানীয় সূত্র জানায়, মুন্সিরচর বাজারে নিকলা মৌজায় মোকাদ্দেস আলীর চায়ের দোকান দখলে নিতে ভাঙচুর চালান এসআই আনিসুর ও তার ভাই শিক্ষক শহিদুর রহমান। এ সময় দোকানে থাকা মোকাদ্দেসের স্ত্রী সামেলা ও তার পলি ভাঙচুরে বাধা দেন। তখন তাদের টেনে-হিঁচড়ে দোকান থেকে বের করে সড়কে এনে মারধর করে রক্তাক্ত করেন আনিসুর ও শহিদুরের নেতৃত্বে থাকা লোকেরা। ওই সময় দোকানের আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, মা ও মেয়ের চিৎকার শুনের স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। এদিকে খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত এসআই আনিসুর রহমান বলেন, আমরা কাউকে মারধর করিনি। অভিযোগকারীরা আমার বোনকেই মেরেছে। এমনকি আমার বিরুদ্ধে করা জিডির প্রতিবেদন পক্ষেই এসেছে। ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের খবর শুনে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।