এসময় তিনি গুরুত্বর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রæত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দু’টি ব্যাগ থেকে ১৩০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়রা দু’জনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ সদস্য রাহাতের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। খবর পেয়ে হাসপাতালে দেখতে ছুটে আসেন চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কানাই লাল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কলিমুল্লাহসহ জেলা পুলিশের সকল কর্মকর্তা। এসময় পুলিশের হাতে আহত অবস্থায় আটক হয় আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ওয়াহেদকে আটক করে। সেই মামলায় তিন মাস জেল হাজতে থেকে মাত্র ৪দিন পূর্বে জামিনে ছাড়া পান মাদক ব্যবসায়ী ওয়াহেদ (৬৫)।
আজ রবিবার ভোর আনুমানিক ৪ঘটিকার সময় হিজলগাড়ী ক্যাম্প ইনর্চাজ বিএম আফজাল হোসেন সঙ্গীয় ফোস নিয়ে নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় দর্শনা ভায়া হিজলগাড়ী বাজার হয়ে মোটরসাইকেলে করে দ্রæত গতিতে ডিঙ্গেদহের দিকে যাওয়ার সময় উক্ত মোটরসাইকেল থামানোর জন্য পুলিশ সিগনাল দিলে পুলিশ থেকে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের হাতেআটক হয় আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে ওয়াহেদ আলী (৬৫)। তার কাছে থাকা স্কুল ব্যাগ তল্লাসী করে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। পরবতীতে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।অন্যদিকে বর্তমানে এক সময়ের মাদকের নিরাপদ রুট খ্যাত হিজলগাড়ী এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের কাছে মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাড়িয়েছেন হিজলগাড়ী ক্যাম্প ইনচার্জ চৌকস পুলিশ অফিসার এসআই বিএম আফজাল হোসেন। প্রায় প্রতিদিনই মাদক বিরোধী সফল অভিযান চালিয়ে আটক করছে মাদকের চালান ও ব্যবসায়ীদের। যার ফলে মাদক কারবারীরা এক প্রকার কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। সেই সাথে তারা নানান অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যার কিছু নমুনাও বিশেষ ভাবে লক্ষ করা যাচ্ছে। এদিকে হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশের এমন মাদক বিরোধী তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।