হাফিজুর রহমান স্টাফ রিপোর্টারঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব রহমান বিভিন্ন দিক দিয়ে দর্শনা থানা বাসীর মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছে। তিনি একের পর এক ভাঙ্গা সংসার জুড়া লাগিয়ে মানবিক পরিচয় দিয়েছেন দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব রহমান। চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন খাস পাড়া গ্রামের মোঃ আমির উদ্দিন (বুদ্দি) এর মেয়ে মোছাঃ মমতাজ আক্তার (সপ্না) (২২) ,এর সাথে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার মাছের দাইড় গ্রামের মোঃ রমজান আলীর ছেলে মোঃ শাহজামাল(৩৫) ,এর ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। এবং তাদের দেড় বছরের একটি সন্তান আছে। বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে মোছাঃ মমতাজ আক্তার স্বপ্নার সাথে শশুর, শাশুড়ি, ননদ, দেবর কারো সাথে বনিবনা না হওয়ায় এবং এক পর্যায়ে সপ্না খাতুন এর অভিযোগ অনুযায়ী যৌতুকের দাবিতে তাকে মারপিট করে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেয়। এই অল্প সময়ের মধ্যে তাদের ভিতর বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে । সপ্না খাতুন এর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার ০৮ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪ টার সময় দর্শনা থানার ওসি জনাব মোঃ মাহবুব রহমান, এবং সাব-ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম এর মাধ্যমে উভয় পক্ষকে দর্শনা থানায় ডেকে নিয়ে আসেন। দর্শনা থানার ওসি তখন দীর্ঘ সময় ধরে উভয় পরিবারের সাথে আলোচনা করেন। এবং পরিশেষে মোছাঃ মমতাজ আক্তার (স্বপ্না) ও তার স্বামী মোঃ শাহজামাল এর সাথে কথা বলেন। একপর্যায়ে স্বামী-স্ত্রী সহ উভয় পক্ষ থেকে তিনার প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করে। তারা পুনরায় স্বামী স্ত্রী হিসাবে শান্তিপূর্ণভাবে দাম্পত্য জীবন শুরু করার বাসনা প্রকাশ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ করেন। এবং উভয় পক্ষই জেলা পুলিশ চুয়াডাঙ্গার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।