কার্পাসডাঙ্গা প্রতিবেদকঃ দামুড়হুদায় সরকারি ২৯ বস্তা চাল অসৎ উদ্দেশ্যে পাচারের অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসি। অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ তড়িত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে গোডাউনের চাবি ও মাস্টাররোল। রহস্য উম্মোচনে ২ সদস্যের কমিটি গঠন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মুনিম লিংকন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর লোকনাথপুর গোডাউন থেকে ১০ টাকা কেজি দরের সরকারি ২৯ বস্তা চাল বাস্তুপুর গোডাউনে নেয়ায় এলাকাবাসির মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হলে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেন এলাকাবাসি। পরে গোডাউন চেক করে ৬৫ বস্তা চাল পাওয়া যায়।
এলাকা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর ডিলার ছাত্তারের লোকনাথপুরস্থ গোডাউন থেকে ১০ টাকা কেজি দরের সরকারি ২৯ বস্তা চাল বাস্তুপুর গোডাউনে নেয়া হয়। ঘটনাটি নিয়ে এলাকাবাসির মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সরকারি চাল পাচারের খবর। এলাকাবাসি বিলম্ব না করে তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানান। খবর পেয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মুনিম লিংকন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহি উদ্দিনকে সাথে নিয়ে ছুটে যান বস্তুপুরে। ওখানে গোডাউনে রাখা ২৯ বস্তা চালসহ গোডাউনের চাবি এবং চাল বিতরণের মাস্টাররোল নিজ হেফাজতে নেন। এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার মূল রহস্য তদন্ত ছাড়া বলা কিম্বা আইনগত ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব নয়। সে কারণে আজ বৃহস্পতিবার ২ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে যত দ্রুত সম্ভব প্রকৃত ঘটনা জানানো হবে। মাস্টারোলে একই হাতের স্বাক্ষরের বিষয়ে তিনি বলেন, কোন ধরণের গড়মিল পেলে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।