মেহেদী হাসান মিলন,কার্পাসডাঙ্গা অফিসঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের নতুনপাড়ায় ৮ ম শ্রেনী পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ভুট্টা ক্ষেতের পাশে ধর্ষন করার অভিযোগ উঠেছে একই পাড়ার বাহারের ছেলে রহেদ(৩৪) ও কাদেরের ছেলে ২ সন্তানের জনক লম্পট সাদ্দাম (৩৫) এর বিরুদ্ধে।জানা গেছে গত শক্রুবার এশার নামাযের পর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হয় মাসুদের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার পিংকি।তার বাড়ির সামনে বিশাল মাঠ।সে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে পূর্ব থেকে উৎ পেতে থাকা সাদ্দাম ও রহেদ মিলে তাকে মুখে গামছা দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে মাঠের ভিতর চলে যায়।সেখানে তাকে ধর্ষন করতে চাই দুজনে। এ সময় সুরাইয়া বাধা দিলে তাকে মারধর করে ও শেষ মেষ মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে তারা দুজনে মিলে সুরাইয়ার উপর পাশবিক নির্যাতন করে।ও বলতে থাকে একথা কাউকে বললে তোকে সহ তোর পরিবারকে মেরে ফেলবো। আর মানুষ জানাজানি হলে তোরই বিয়ে হবেনা ।রহেদ ও সাদ্দামের পাশবিক নির্যাতনে এক পর্যায়ে সুরাইয়া অজ্ঞান হয়ে যায়।এদিকে সুরাইয়া পরিবার অনেকক্ষন পার হওয়া সত্তেও সুরাইয়া বাড়ি না ফেরায় তারা লোকজন নিয়ে খুঁজাখুজি করতে থাকে।পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে তার পরিবার। সুরাইয়া বাড়ি ফিরে সব ঘটনা খুলে বললে তার পরিবারের লোকজন অভিযুক্তদের বাড়ি গিয়ে ঘটনা বলে।অবস্থা বেগতিক দেখে সাদ্দাম ও রহেদ একজনকে ম্যানেজ করে বিষয়টি মিমাংসার জন্য। সুরাইয়ার পরিবার ন্যায় বিচার না পেয়ে ও মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় গতকাল রোববার সকালে তাকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দশ্য রওয়ানা হলে কার্পাসডাঙ্গা থেকে সুরাইয়া ও তার পরিবাবের লোকজনদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় রহেদ ও সাদ্দামের লোকজন। এক পর্যায়ে বিষয় স্থানীয় সাংবাদিকরা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে হাজির হলে সব খুলে বলে সুরাইয়া ও তার পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার সুরাইয়া দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে বলে জানা গেছে।নাম না প্রকাশ করার শর্তে অনেকে বলেন সাদ্দাম ও রহেদ সীমান্তের গরু চোরাকাবারীর গডফাদার। চোরাকারবারী করে টাকা হওয়ায় তাদের খুব টাকার গরম।এর আগেও রহেদ আরেকজনের স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চালায়।মানসম্মানের কথা চিন্তা করে সে মুর্হতে ঐ গৃহবধূর পরিবার বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করে।এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ:খালেক জানান বিষয়টি জানার পর পরই দ্রুত এ বিষয়ে একটি মামলা রুজু হয়েছে। ধর্ষকদের ধরতে জোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এ ঘটনায় জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত আছে ।লম্পট সাদ্দাম ও রহেদ কে দ্রুত গ্রেফতার সহ তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যাবস্থা নিতে চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জাহিদুল হাসানের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল।