শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে সোনাপুর গ্রামের ঈদগাহ ও গোরস্থানের অদূরে একটি বাঁশ গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় আয়েশার লাশ উদ্ধার করে পিরোজপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা। তবে আয়েশার দুটি পা মাটিতে ঠেকে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন চলছে। আয়েশা খাতুনের ভাই সাকিবুল ইসলাম জানান, আমার বোন আয়েশা ছিল বাপ্পারাজের ৬ নম্বর স্ত্রী। এর আগেও বাপ্পারাজ ৫টি বিয়ে করেছিল। নির্যাতন সইতে না পেরে সব স্ত্রীরা নিজেই ডিভোর্স নিয়েছে। ৫ বছর আগে আয়েশাকে বিয়ের পর বাপ্পারাজ যৌতুকের দাবিতে ব্যর্থ হয়ে প্রায়ই নির্যাতন করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে আয়েশার সঙ্গে তার স্বামীর ঝগড়া হয়। সন্ধ্যার দিকে আয়েশা তার স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মাঠের কৃষকরা সোনাপুর ঈদগাহ-গোরস্থান সংলগ্ন একটি বাঁশ গাছের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো মরদেহ দেখতে পায়। আয়েশাকে তার স্বামী শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। তাই নিজের দোষ ঢাকতে লাশ বাঁশগাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে মনে হচ্ছে। বাপ্পারাজ আলীর নিকট আত্মীয়রা জানান, আয়েশার পারিবারিক কাজ কর্ম নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পিরোজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই নিখিল কুমার মন্ডল জানান, লাশ
ময়না তদন্তের পর জানা যাবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে।