আটককৃতদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু সোমবার (২ মার্চ) রাতে বাগেরহাট কারাগার কর্তৃপক্ষ আসামিদের জেলখানার ভেতরে না নিয়ে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আর এতেই মুহূর্তের মধ্যে বাগেরহাট শহরজুড়ে ছড়িয়ে পরে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক। এরই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) করোনা ভাইরাস নিয়ে নানা পোস্ট এ আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তোলে জনসাধারণের মাঝে। তবে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে ৩ চীনা নাগরিকসহ হাসপাতালে ভর্তি ৫ জনের কারও মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে হাসপাতালে অবস্থানরত রোগী, রোগীর স্বজন ও স্থানীয় সকলকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে হাসপাতাল
কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে ভর্তিকৃতরা হলো- নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ
উপজেলার চিটাগং রোডের মনসুর আহমেদের ছেলে হাসানাত (২৮), বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার সোনাখালী গ্রামের মো. আফজাল সিকদার ছেলে মো.।রুমন সিকদার (৩২), চায়নার জে সনের ছেলে জেরী (২৬), জ্যাক জিয়াও চ্যাংয়ের ছেলে জ্যাক জিয়া (৩৩) ও লিং হংরের।ছেলে ফু (৩৩)।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের করোনা ভাইরাস আইসোলেশন ইউনিটের ইনচার্জ মেডিকেল অফিসার ডা. জুনায়েদ সাফার মাহমুদ জানান, সতর্কতা অবলম্বনের জন্য পুলিশ ৩ চীনা নাগরিকসহ পাঁচজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আমরা তাদের করোনা ভাইরাস আইসোলেশন ইউনিটে রেখে দুই ঘণ্টা পরীক্ষা করেছি। তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তাদের শরীরের তাপমাত্রাও স্বাভাবিক রয়েছে। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। করোনা ভাইরাসের লক্ষণ তাদের শরীরে পাওয়া না গেলেও আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য তাদের
আইসোলেশন ইউনিটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।