বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
জীবননগর থানা পুলিশের মাদক বিরোধী ঝাটিক অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক জীবননগর সাংবাদিক এ,আর ডাবলুর পুত্রের জন্মদিন পালন জীবননগরের উথলীতে রাবা ফাউন্ডেশন এন্ড গ্রন্থাগারের শুভ উদ্বোধন গাংনীতে কফি হাউসে বসে পরকীয়া প্রেমিকার সামনে সেনা সদস্যের আত্মহত্যার নাটক মেহেরপুরে পুলিশ সদস্যদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ মেহেরপুরে ডিবি পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযোগ ১০ পিচ ইয়াবাসহ ছোট বাবু আটক মেহেরপুরের কামদেবপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন মায়ের আঘাতে মেয়ের মৃত্যু মেহেরপুরে বেসরকারী সংস্থার উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মেহেরপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক মোঃ আতাউল গনি করোনায় আক্রান্ত ঈদে টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট নিরসনে মাঠে থাকবে ৬০০ পুলিশ

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জয়ের জয় হোক

Reporter Name / ৩২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

জাগো দেশ ডেস্কঃ ‘আমাদের দেশ তো প্রযুক্তির দিক থেকে পেছনে পড়েছিল। সেখান থেকে এ উত্তরণের পথে আসা নিয়ে প্রশ্ন ছিল অনেকের। আমরা তাদের মিথ্যা প্রমাণিত করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তবতা।’-২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর রাজধানীর আইসিটি টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য এটি। সেই অতিথি আর কেউ নন; তিনি হলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সার্বিকভাবে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদান অনস্বীকার্য। এ জন্য তাকে সহ্য করতে হয়েছে অনেক সমালোচনা; কিন্তু জয়ের ভাবনার আজ সবদিকেই জয়জয়কার। দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হাইটেক পার্ক নির্মাণ, ফোর-জি চালু, ইন্টারনেটের দাম কমানো, কম্পিউটার শুল্কমুক্ত আমদানি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিকাশ, বিভিন্ন দাফতরিক কাজ অনলাইনে করাসহ নাগরিক সুবিধা মানুষের আরও কাছে নিয়ে আসাতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্বপ্নগুলো আজ ডানা মেলেছে সবখানে। গত এক দশকে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের মহাসড়কের পথ ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুতেই আজ উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। ঘরে বসেই চলছে অফিসের কাজ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, এমনকি টেলিভিশন রিপোর্টিং ও টকশো পর্যন্ত আজ অনলাইননির্ভর।

শিক্ষার্থীদের ক্লাস, পরীক্ষা, ভর্তি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসায় টেলিমেডিসিন সেবা-সর্বত্রই উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হওয়া সত্ত্বেও দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে নেই সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ কিংবা ক্ষমতা-এসব বিষয়ে কোনো ভাবনা নেই তার। তার মেধা-মনন আর চিন্তাজুড়ে রয়েছে মায়ের মতো জনগণের পাশে থাকা আর আধুনিক প্রযুক্তির দিক থেকে বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রথম সারিতে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছেন তিনি। ডিজিটাল বিশ্বের পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ায় নিয়োজিত থাকায় ২০১৬ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় অর্জন করেছেন ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’। ২০০৭ সালে তিনি লাভ করেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম থেকে ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর স্বীকৃতি। কিন্তু জয় মনে করেন, তার সব স্বীকৃতি সার্থক হবে তখন-যেদিন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশ্বের প্রথম সারির কাতারে থাকবে বাংলাদেশের নাম।

জাতির পিতার যোগ্য উত্তরসূরি তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্র পরিচালনা, নেতৃত্বে দক্ষতা ও মানবিকতায় আজ তিনি সারা বিশ্বে প্রশংসিত। সজীব ওয়াজেদ জয় সেই মায়ের সন্তান-মাদার অব হিউম্যানিটি হিসেবে আজ যার খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। মানুষের ভালোবাসায় মৃত্যুর দুয়ার থেকে বারবার ফিরে আসা মৃত্যুঞ্জয়ীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণেই একজন রাজনৈতিক নেতার সব গুণ রয়েছে তার। মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্ম নেয়ায় নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার নাম রাখেন জয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা-বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে চলে আসেন ভারতে। সেখানেই কেটেছে তার শৈশব ও কৈশোর। তিনি লেখাপড়া করেছেন নৈণিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন জয়; হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেছেন লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওয়াজেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সজীব ওয়াজেদ জয়। সোফিয়া ওয়াজেদ নামের এক কন্যাসন্তান রয়েছে এই দম্পতির। জয়ের ভাবনা সব সময় বাংলাদেশের উন্নয়ন আর অগ্রগতি নিয়ে।

তিনি স্বপ্ন দেখেন আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে জাতিসংঘের আইসিটি ইন্ডিকেটের ডিজিটাল গভর্নেন্স ইনডেক্সের সেরা ৫০-এর মধ্যে থাকবে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের মধ্যে নাগরিকসেবার সব আধুনিক প্রযুক্তি থাকবে এ দেশের জনগণের আঙুলের ছোঁয়ায়। ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দেশ নিয়ে এমন ভাবনার জয় হোক। জন্মদিনে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তার সব কর্মপরিকল্পনা দ্রুত আলোর মুখ দেখুক। জয়ের জয় হোক সর্বত্র। মানিক লাল ঘোষ : সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর