স্টাফ রিপোর্টার: নদীমাতৃক বাংলাদেশের সকল নদ নদী ও খাল বিলের নাব্যতা ও পরিবেশ রক্ষায় নতুন করে শুরু হয়েছে নদী খনন কার্যক্রম,তারই ধারাবাহিকতায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পদ্মানদীর একমাত্র শাখা মাথাভাঙ্গা নদীর সাথে সংযোগ স্থাপনে ভৈরব,চিত্রা ও নবগঙ্গা নদীর খনন কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে অথচ প্রধান শাখা নদী মাথাভাঙার বেহাল দশা।নদী টি এখন দর্শনা থানার পারকৃষ্ণপুর গ্রামের হালদার দের দখলে! সারাদেশের নদীতে যখন কুমোর দেয়া নিষেধ অথচ মাথাভাঙ্গা নদীর দর্শনা থানার অধীনে শ্যামপুর,রামনগর,জীরাট সহ এই অঞ্চলের সকল নদী এলাকা পারকৃষ্ণপুরের হালদারেরা কুমোর দিয়ে নদীর স্রোত বাধাগ্রস্থ করছে এবং মাছ শিকার করছে যার ফলে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে এবং নদী হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক গতি। এলাকার জনগন তাদেরকে কুমোর দিতে নিষেধ করলে হালদারেরা বলে আমরা সকল মহলকে ম্যানেজ করে চলি এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন জেগেছে সকল মহল কারা ? কোথায় তাদের খুঁটির জোর ? প্রশাসনের থেকেও কি তারা শক্তিশালী ? যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষায় নদী খনন সহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহন করেছে সেখানে কীভাবে দর্শনার মাথাভাঙ্গা নদী অবৈধ ভাবে হালদারেরা দখল করে নদীর স্রোত বাধাগ্রস্থ করে, নদীর নাব্যতা নষ্ট করছে ।এ ব্যাপারে মাথাভাঙ্গা নদী রক্ষায় দর্শনার জনগণ দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ।