ষ্টাফ রিপোর্টার:চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে পজিশন দখলের মহোৎসব চলছে।কার্পাসডাঙ্গা বাজারের ব্রীজমোড়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পাশে ও পিছনে তাছাড়াও কার্পাসডাঙ্গা বাজারের সাইকেল হাটে ছাউনির সাথে একটি খোলা জায়গা দখল করে পাকা দোকান নির্মান চলছে।যা দেখে হতবাক হয়েছেন সাধারন জনগন সহ সচেতন মহল।কার্পাসডাঙ্গা বাজারের হাইস্কুলের সামনে সারি সারি ভাবে পজিশন দখল করে দখল দাররা তা দেদারছে ভাড়া দিচ্ছে। কার্পাসডাঙ্গা ব্রীজ মোড় থেকে কার্পাসডাঙ্গা বাজারের ভিতর যেতে পুরো রাস্তাটির দুপাশে সবজির দোকানদাররা বসে থাকলে সোম ও বৃহস্পতিবার ও অন্যান্য দিনে দুদিকে সবজির দোকানদাররা এবং মাঝখানে চলাচলের জন্য সামান্য যে ফুটপাথ পড়ে থাকে তার উপরই বসে পড়ে ভ্রাম্যমান দোকান দাররা।এতে করে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা রাস্তাটা দিয়ে চলতে পারেনা।কোন মেয়ে যদি এ রাস্তাটি দিয়ে বাড়ির উদ্দশ্য রওয়ানাও হয় তবে তাকে পুরো রাস্তার লোকজনদের সাথে ধাক্কাধাকি করে যেতে হয়।অনেক সময় মেয়েদের এমন পরিস্থিত দেখে বখাটেরা হাসতে থাকে। নানা রকম কুটুক্তি করতে থাকে।এতে করে স্কুল কলেজের মেয়েরা চরম বিব্রত পরিস্থিতির স্বীকার হয়।নাম না প্রকাশ করার শর্তে অনেকে জানান এসব পজিশন মোটা অংকের টাকায় বিক্রি করছে কেউ কেউ।এসব পজিশন দখল সহ আধাপাকা স্থাপনা নির্মান করতে অনেকে সহায়তা করতে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।কিছু দোকানদাররাও বাধ্য হয়ে গুনছে মোটা অংকের টাকা।

কার্পাসডাঙ্গা বাজারে এমন কথাও প্রচলিত আছে দোকানের নতুন টিন লাগাতেও নাকি এক শ্রেনীর লোককে ম্যানেজ করতে হয় টাকা দিয়ে।এসব পজিশন দেদারছে দখল চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দখলদারদের বিরুদ্ধে তেমন কোন ব্যাবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে।কার্পাসডাঙ্গার সাধারন জনগন সহ সচেতন মহলের দাবী অতিদ্রুত এসব দখলদারদের উচ্ছেদ সহ এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যাবস্থা নিতে চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল।