বুধবার, ২৩ মার্চ ২০২২, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
দর্শনায় স্থলবন্দর পরিদর্শন: আগমী দুই বছরের মধ্যে দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থল বন্দর হিসাবে গড়ে তোলা হবে চুয়াডাঙ্গাসহ ২৬ জেলা আদালতে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ হরিণাকুণ্ডুতে পানের বরজ পুড়ে ১৮ লাখ টাকার ক্ষতি ভালবেসে বিয়ের চার মাস পরেই আত্মহুতি দিলেন স্কুল ছাত্রী তাপসী গাংনীতে টিসিবির পন্য নিতে উপচে পড়া ভীড় দেরীতে বিক্রি শুরু হওয়ায় জনদূর্ভোগ ইটের দাম আকাশ চুম্বী: প্রশাসন নীরব গাংনীর ছাতিয়ান থেকে ইয়াবাসহ দুজন গ্রেফতার আলমডাঙ্গায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত জীবননগরে ইসলামি ফাউন্ডেশনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চুয়াডাঙ্গায় সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশের চাকরি: পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম

ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন করতে এসে সৌদিতে প্রাণ হারালেন এক বাংলাদেশী।

Reporter Name / ৩২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ মার্চ ২০২২, ১২:৪৩ অপরাহ্ন

মাসুদ রানা,সৌদি আরব প্রতিনিধিঃভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ মোখলেছ মিয়া (২২)। সেখানে গিয়েও তাঁর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ। মোখলেছ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া গ্রামের কৃষক সুলতান মিয়ার ছেলে। গতকাল  রাতে সৌদি আরবে ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। মৃত ছেলের লাশটি একনজর দেখার আকুতি মা-বাবারনিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাবা সুলতান মিয়া কৃষিকাজ করেন। বাবার সঙ্গে ছেলে মোখলেছ কৃষিকাজ করতেন। ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য গত বছরের শেষের দিকে সৌদি আরবে যান তিনি। সৌদি আরবের জেদ্দা এলাকায় ‘ইয়ামা ’ নামের একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন। অন্যান্য দিনের মতো গত বুধবার সকালেও কাজে রওনা দেন। যাওয়ার সময় পেছন থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি মাইক্রোবাস তাঁকে চাপা দেয়। রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে মোখলেছ মাথায় আঘাত পাওয়ায় নাক, মুখ ও কান দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। স্থানীয় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশটি ওই হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছেমোখলেছের সঙ্গে থাকা লোকজন বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর বাড়িতে মুঠোফোনে খবর দেন। প্রবাসে ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাড়ির লোকজন। ছেলের অকালমৃত্যুর সংবাদে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন বাবা সুলতান মিয়া ও মা আমেনা বেগম।

সুলতান মিয়া  ‘কৃষিকাজ করে সংসার চলত। ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। ছেলে তো আর টাকা রোজগার করতে পারেনি। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। লাশ রয়েছে হাসপাতালে। ছেলের সঙ্গে থাকা লোকজন মারা যাওয়ার বিষয়টি ফোন করে জানিয়েছেন।’ মৃত ছেলের মুখটি একনজর দেখতে সরকারের কাছে আরজি জানিয়েছেন তিনি।


এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর