বুধবার, ১৭ জুন ২০২০, ০৩:১৩ অপরাহ্ন

শাহীন কবরস্থানে ‘লিভিং ঈগল’ এর দাফন সম্পন্ন

Reporter Name / ৩৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ১৭ জুন ২০২০, ০৩:১৩ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত সোমবার বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার এর প্যারেড গ্রাউন্ডে (বিগটপ হ্যাঙ্গার) গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাইফুল আজম (অব.) এর কফিনে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে সম্মান প্রদর্শন করেন।- আইএসপিআর

জাগো দেশ ডেস্কঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাইফুল আজম এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার দুপুরে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়তাকে শাহীন কবরস্থানে দাফন করা হয়। গত রোববার দুপুর সোয়া ১টায় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান তিনি। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এর সহকারী পরিচালক মো. নূর ইসলাম সন্ধ্যায় এ তথ্য জানান। মো. নূর ইসলাম জানান, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি স্ত্রী, ছেলে, কন্যা ও আত্মীয়সজনসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দুপুর পৌনে ২টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার এর প্যারেড গ্রাউন্ডে (বিগটপ হ্যাঙ্গার) তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার বিদেহী আত্মাকে সম্মান জানাতে বিমান বাহিনী একটি ফ্লাই পাস্টের আয়োজন করে। জানাজার নামাজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি এবং সব পদবীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে শাহীন কবরস্থানে দাফন করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, ক্যাপ্টেন সাইফুল আজম (অবঃ) একমাত্র সামরিক পাইলট, যার চারটি বিমান বাহিনীর (বাংলাদেশ, জর্ডান, ইরাক ও পাকিস্তান) হয়ে কাজ করার কৃতিত্ব রয়েছে। তিনি প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ‘টপ গান’
এবং ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য পাকিস্তানের তৃতীয় সর্বোচ্চ মিলিটারি অ্যাওয়ার্ড ‘সিতারা-ই-জুরাত’ উপাধিতে ভূষিত হন। এছাড়াও গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাইফুল আজম (অবঃ) জর্ডান এবং ইরাকে ‘ওয়াসসাম-আর ইসতিকলাল’ ও ‘নাওত আল শোজা’ উপাধিতে ভূষিত হন। তিনি ৩টি
দেশের সামরিক খেতাবে ভূষিত হন যা একটি বিশ্ব রেকর্ড। স্বাধীনতার পর তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে ফেরত আসেন এবং বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৭৮ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এছাড়া ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ‘লিভিং ঈগল’
উপাধিতে ভূষিত করে সম্মানিত করে। তিনি ছিলেন বিশ্বের ২২ জন এই অনন্য উপাধি অর্জনকারীর মধ্যে একজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর