শাহরিয়ার কবির ব্যুরো চিফ খুলনাঃ-একদিকে মৃত্যুভয়ে দিন গুনতে হচ্ছে করোনা রুগীদের, না জানি বিধাতা কখন ডাক দেবে আর চলে যেতে হবে না ফেরার দেশে সব মায়া ত্যাগ করে এ পৃথিবী ছাড়তে হবে।এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে করোনা পজেটিভ রুগী।অন্যদিকে কিছু মানুষ নামের জানোয়ার সুযোগের সন্ধানে বসে আছে। করোনা ডেটিকেডেট হাসপাতালে গত ৬ জুন করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হয়ে খুলনার খালিশপুরের প্রিয়া জামান শিরিন (২৫) কে ভর্তি করা হয়, শিরিন করোনার নমুনা দেয়ার পরে ৫ জুন তাকে মোবাইল ফোন করে জানানো হয় সে করোনা পজিটিভ হয়েছে, ভর্তি হওয়ার প্রথম দিন থেকেই খুমেকের আউটসোর্সিং কর্মচারী নজরুল বিভিন্ন উসিলায় শিরিনের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করে, এক পর্যায় গত ১২ জুন নজরুল শিরিন কে রাতে অপারেশন থিয়েটারের কাছে আসতে বলে,শিরিন রাজি না হলে আউটসোর্সিং কর্মচারী নজরুল তাকে হুমকি দেয়,এর পরে শিরিন করোনা,ডেটিকেডেট হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নজরুলের ব্যাপারে বিস্তারিত জানায়, ভর্তি রোগীরা শিরিনকে আশ্বস্ত করে বলে তোমার কোন ভয় নাই,আমরা তোমার পাশে আছি, এর পরে ১৩ জুন নজরুল ইভিনিং শিফটে এসে সন্ধার পরে শিরিনকে জানায় তোমার সাথে কথা আছে রাতে কথা বলব,এই বলে নজরুল চলে যায়,শিরিন ঘটনার বিস্তারিত ওয়ার্ডের অন্যান্য রোগীকে জানায়, রোগীরা শিরিন কে আবারো অভয়বাণী দান করেন, এক পর্যাযে শিরিন ঘুমিয়ে পড়েন, তবে ওয়ার্ডে অন্যান্য রোগীরা জেগেছিল, গভীর রাতে নজরুল শিরিনের খাটের কাছে এসে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সাথে থাকা প্লাস্টিকের নল দিয়ে শিরিনের পায়ে সুড়সুড়ি দিচ্ছিল, শিরিনের ঘুম না ভাঙ্গায় নজরুল শিরিনের পায়ে বুড়ো আঙ্গুল ধরে সজোরে টান দিয়ে ঘুম ভাঙ্গায়, এবং বলে বাইরে আসো তখন শিরিন ওয়ার্ডের অন্য রোগীদের দিকে তাকালে তারা শিরিন কে ইশারায় যেতে বলে, ওয়ার্ডের বাইরে আসলে নজরুল শিরিন কে চিকিৎসকের এখানে বসেন তার পাশে একটি খাট আছে সেখানে নিয়ে যায়, বিভিন্ন কথা বলে নজরুল এক পর্যায় তার মুখের পিপিই খুলে শিরিন এর হাত ধরে জড়িয়ে ধরে শিরিনের মুখে চুমো দেয় শিরিন চিৎকার করলে ওয়ার্ডের অন্যান্য সকল রোগীরা নজরুল কে ধরার জন্য ওত পেতে ছিল মুহুর্তের মধ্যে নজরুলকে আটক করে কর্তব্যরত চিকিৎসকের ও স্বাস্থ্য কর্মীদের কাছে নিয়ে ঘটনাটি জানায়, কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদেরকে আশ্বস্ত করে বলে তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ঘটনা জানাবে, তবে শ্রীলতাহানি শিকার ভিকটিম জানায় ওই রাতে সে ধর্ষিত হতে পারত, তার ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীরা তাকে জানায় এই ধরনের লোকের শাস্তি না হলে করোনা ডেটিকেডেট হাসপাতালে ভর্তি অন্যান্য মহিলা রোগীরা ধর্ষণের শিকার হতে পারে, এই জন্য সকল করোনা পজিটিভ রোগী এক হয়ে সিদ্ধান্ত নাই শিরিন কে নজরুল জোর করে ডাকলে শিরিন তার কথা মত যাবে,এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঐ দিন সকল রোগীরা নজরুল কে হাতে-নাতে ধরতে জেগেছিল, ভিকটিম এই প্রতিবেদককে জানায় ১৩ জুন ঐ রাতের ঘটনার পরে করোনা ডেটিকেডেট হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত কোন চিকিৎসক বা কর্মকর্তারা তাকে বিন্দুমাত্র সান্তনা টুকুও দেয় নাই, উপন্ত ঐ রাতের পর থেকে রাতে এক মুহুর্ত ঘুমাতে পারেনি ভয়ে তার কথায় জানান এটি করোনা হাসপাতাল তাকে হত্যা করে করোনায় মারা গেছে এই বলে চালিয়ে দিতে পারে এই ভয় প্রতিটি মুহূর্ত তাকে তাড়া করে বেরিয়েছে, ভিকটিম এই প্রতিবেদককে জানায় করোনা ডেটিকেডেট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের রুমের ঐ দিনের সকলকে আজ ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছে, আগামী ৩ দিন পরে তাদের ফলোআপ করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার রিপোর্ট ফোন করে তাদেরকে জানানো হবে, খুলনা ক্রাইম নিউজের সম্পাদক ভিকটিমের সাথে মোবাইলে কথা বলার পরে, খুমেকের ফ্লু কর্নার সেন্টারের মুখপাত্রের ফোকাল পার্সন) ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কথা বলে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেন, এই প্রতিবেদক করোনা ডেটিকেডেট হাসপাতালের মুখপাত্রের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন,এর পরে খুমেকের পরিচালকের (চঃদা)মোবাইল ফোনে ফোন করলে তিনি রিসিভ না করে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন, এর পরে খুলনা জেলার করোনা বিষয়ক মুখপাত্র ডাঃ মেহেদী নেওয়াজের মোবাইল ফোনে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেন। এই রিপোর্ট লেখার সময় আমাদের বিশ্বস্ত সূত্র জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করোনা ডেটিকেডেট হাসপাতালের জন্য ২৯ জন আউটসোর্সিং স্বাস্থ্য সেবার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে বলায় খুমেকের পরিচালক( চঃদা) তার নিজ জেলা ও তার বন্ধু টুটপাড়ার লিটন এবং আউটসোর্সিং ঠিকাদার গোপনীয় ভাবে নজরুল সহ বাকি ২৮ জন কে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়।করোনা ডেটিকেডেট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর শ্লীলতাহানীর পরেও নজরুলের ব্যাপারে খুমেক কর্তৃপক্ষ আইনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই।