লাগবে আইসক্রিম আইসক্রিমের
হাকটা কানে আসতেই
আমি দৌড়ে বেরিয়ে আসতাম
বাড়ি থেকে,
আইসক্রিম ওলাকে ডেকে
বাড়ির গেটেই দাঁড়াতে বলতাম।
তারপর বাড়িতে ডুকতাম
পয়সা খুঁজতে
ততক্ষণ বাড়ির গেটে দারিয়ে
আইসক্রিম ওলা জোরেশোরে
আইসক্রিমের বাক্সের ঢাকনা তুলে
বাজাতেই থাকতো!!
আজও মনে পরে
আমি পয়সা যোগারে বেস্ত হয়ে যেতাম
বাসায় কারো কাছ থেকে
যখন কোন পয়সা যোগার হতোনা,
তখন কান্না জুড়ে দিতাম চারআনা
পয়সার জন্য।
অবশেষে মা বেড় হয়ে একটা আইসক্রিম
কিনতে গেলে সব ভাই বোনরা
এসে উকি মারতো।
আমাদের কেও কিনে দিতে হবে
তাতে মা বিরক্ত হতো অনেক
আইসক্রিম ওলার উপরে রেগে গিয়ে
বিক্রমপুরের ভাষায় বলতো
এই ছেমরা আমাদের বাড়ির সামনে
আইসক্রিম বা দুধের মালাই
নিয়ে কক্ষনো আসবিনা
বলে দিলাম খবরদার!!
মনের গহনে এমন হাজারো স্মৃতি
সমুদ্রের ঢেউয়ের মতোই,
ঢেউয়ের দোলা জাগায় আজ-ও অবধি।
আমি খুব ডানপিটে ছিলাম
মায়ের মুখের এমন কথা শুনে মন খারাপ
হয়ে যেতো আমার
আহারে আইসক্রিম ওলা যদি না আসে
কোথায় থেকে খাবো গজগজা
নারিকেলি মজাদার আইসক্রিম
রেগে যেয়ে চিৎকার করে আমিও
বলে উঠতাম আইসক্রিম ওলা
তুমি রোজ আসবেই আমি আইসক্রিম
না খেলে বাঁচতে পারবোনা।
আইসক্রিম আমার সব চেয়ে,
প্রিয় খাবার ছিলো তখন।
মা তোমাকে কতোটুকু বুঝতাম আমি
তুমিও বা কোথায় পেতে এতো পয়সা।
তবুতো আমাদের মনটা খুশি রাখতে
নিখিলের শেষ্ঠ সম্পদশালী তুমি মা
হিসাব মিলবে না মা তোমার সাথে
কোন কিছুর।
তুমিযে একটা স্বর্গের দূত মা।
আর আমরা সন্তানরা কি অদ্ভুত।