বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

একজন দিয়ে চলছে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন জীবননগর ইউনিট

Reporter Name / ১৭০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টারঃলোকবল সংকটের কারণেএকজন দিয়ে চলছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন জীবননগর শাখার (ক্ষুদ্র সেচ) গভির নলকূপর কার্যক্রম। ইউনিটের কার্যালয়টি দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত। এই কার্যালয়ে একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, দুইজন মেকানিক ও একজন পিয়ন পদ থাকলেও এখানে দীর্ঘদিন যাবত ইউনিটটির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন মেকানিক আজিজুর রহমান ও উপসহকারি-প্রকৌশলী শাহজালাল আবেদীন।এর মধ্যে উপসহকারি-প্রকৌশলী চুয়াডাঙ্গা ওমেহেরপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে তিনি প্রতি সপ্তাহে দুই দিন অফিস করেন। দামুড়হুদায় অবস্থিত ইউনিটে একমাত্র মেকানিক আজিজুর রহমান নিয়মিত অফিস চালিয়ে গেলেও চলতি বছরের গত জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর থেকে ইউনিটটি রবিবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিন খোলা রাখা হয়। ফলে জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (ক্ষুদ্র সেচ) এই ইউনিটটির আওতায় দামুড়হুদা উপজেলায় ১৩টি ও জীবননগর উপজেলায় ১১ টি সমিতির বৈদ্যুতিক গভির নলকুপ রয়েছে। ইউনিটটিতে ৪ টি পদ থাকলে ও বর্তমানে শুধু মাত্র এক জন উপসহকারী-প্রকৌশলীকে পালন করতে হচ্ছে সব দায়িত্ব। এছাড়াও জীবননগর উপজেলায় কোন ইউনিট না থাকায় ২০কিলোমিটার দূরে দামুড়হুদায় এসে ক্ষুদ্র সেচ গভির নলকুপের প্রি-পেইড বিল পরিষদসহ গভির নলকুপের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়।
জীবননগর উপজেলার তেঁতুলিয় গ্রামের সমিতির ম্যানেজার কামরুজ্জামান ও ইস্ররাফিল হোসেন বলেন, জীবননগর ইউনিটটি দামুড়হুদায় হওয়ায় আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। আমাদের সমিতির নলকূপের মিটারের বিদ্যুৎ বিল পরিষদ,কার্ড রিসার্সসহ সমিতির যাবতীয় কাজ করতে জীবননগর থেকে ২০কিলোমিটার দূরে দামুড়হুদায় যেতে হয়।এতে আমাদের যেমন সময় ব্যয় হয় তেমনি বাড়তি অর্থ খরচ হয়। উপসহকারী প্রকৌশলী শাহজালাল আবেদীন জানান, ইউনিটটিতে ৪টি পদ থাকলেও দীর্ঘদিন যাবত দুটি পদ শুন্য থাকায় তিনি ও মেকানিক আজিজুর রহমান মিলে দুইজন ইউনিটটি চালিয়ে আসলেও আজিজুর রহমান মারা যাওয়ার কারণে সমস্ত দায়িত্ব একা পালন করতে হচ্ছে। তাছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার কারণে এই ইউনিটে সপ্তাহে দুই দিন জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার গভীর নলকুপের প্রি-পেইড মিটারের বিদ্যুৎতের বিল নেয়া ও কার্ড রিসার্স করতে হচ্ছে। তবে অচিরেই লোকবল বাড়বে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর