সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্ভোগকে সঙ্গী করে বরিশাল থেকে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড় ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা, পথে পথে ভোগান্তি শারিরীক প্রতিবন্ধী সুমাইয়া খাতুন সুমিকে তার পিতা-মাতার কাছে ফিরিয়ে দিলেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেরপুরের ইরা একজন জনপ্রিয় নিয়মিত ফুড ব্লগ নির্মাতা লোহাগড়ায় র‌্যাব-৬ এর অভিযানে ইয়াবাসহ ১ জন আটক শিবগঞ্জে ফ্রী ফায়ার গেম খেলার জন্য স্মার্টফোন কিনে না দেওয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা ভিক্ষুকের টাকা উদ্ধার করে দিলো বেনাপোল পৌর্ট থানা পুলিশ দর্শনায় পরিচয় গোপন করে প্রেমিকাকে কৌশলে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা:প্রেমিক আটক ইকবাল আহম্মেদ এর হুইল চেয়ারকে ব্যবহার উপযোগী করে দিলেন-চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম দর্শনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়ার সরঞ্জাম ও নগদ টাকা সহ ৮ জোয়াড়ি আটক

চুয়াডাঙ্গায় গৃহবধূ ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় ২ জনের ১৪ কারাদন্ড

Reporter Name / ২০২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক গৃহবধূ ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় ২ জনকে ১৪ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। সাজা প্রাপ্তরা হল ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার আলাইপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে লিপন আলি ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের সোনাই মন্ডলের ছেলে হাবিল হোসেন।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে ৯ নভেম্বর বিকালে বিপাশা খাতুন শ্বশুড় বাড়ি যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার বড়খাপুর গ্রাম থেকে পিতার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার।জীবননগর আন্দুলবাড়িয়া গ্রামে আসছিল। বিপাশা খাতুন গাড়ি থেকে নেমে জীবননগর আন্দুলবাড়িয়া বাজারের দাড়ায়। এরপর পায়ে হেটে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় গ্রামের মাঠে তাকে একা পেয়ে হাবিল হোসেন, লিপন আলিসহ ৫-৭ জন মিলে বিপাশা খাতুনকে জোরপূর্বক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটরসাইকেল যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। গৃহবধূর পরিবার বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ ৩ দিন পর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রাম থেকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে। অভিযুক্তরা পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। ১২ নভেম্বর হারেজ মন্ডল বাদি হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে জীবননগর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
জীবননগর থানার এসআই শেখ আজগর আলি মামলার তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ ৫ বছর পর ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক একজন।আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৪ বছর করে কারাদন্ড ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় লিপন আলি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামি হাবিল হোসেন পালাতক রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর