বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

ফলোআপ:কার্পাসডাঙ্গা বাঘাডাঙ্গার একাধিক ধর্ষন চেষ্টার অভিযুক্ত লম্পট মিঠুনের একের পর এক কুকর্ম প্রকাশ্য আসতে শুরু:মামলার প্রস্তুতি

Reporter Name / ২১৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

ষ্টাফ রিপোর্টার:চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের মৃত:ঝাকুব মন্ডলের ছেলে মাদক ব্যাবসায়ী লম্পট মিঠুনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মহল্লাবাসী।সে মহল্লায় একাধিক গৃহবধূকে উত্যক্ত সহ ধর্ষনের চেষ্টা চালায়।অনেকে মানসম্মানের ভয়ে মুখ না খুললেও লম্পট মিঠুনকে আইনের আওতায় এনে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বেরিয়ে আসবে সে কতজনকে জোরপূর্বক ধর্ষন সহ ধর্ষনের চেষ্টা চালিয়েছে।সম্প্রতিকালে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেরিয়ে এসেছে বড় বড় ধর্ষকের ঘটনা।তারা আটক হয়ে বর্তমানে আইনের হেফাজতে।সম্প্রতিকালে ঘটে যাওয়া ধর্ষকদের চাইতেও ভয়ংকর এই মাদক ব্যাবসায়ী লম্পট মিঠু।রাত হলেই মিঠুর ভয়ে মহল্লার যুবতী মেয়ে সহ গৃহবধূরা ঘুমাতে পারেনা।সুযোগ পেলেই লম্পট মিঠুন যারতার ঘরে ঢুকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়।অনেকে হয়তো গোপনে মিঠুনের কাছে ধর্ষনের স্বীকার হলেও লজ্জায় তা প্রকাশ করেনি।সম্প্রতিকালে প্রায় তিন মাসের ভিতর বেশ কয়েকটি ধর্ষন চেষ্টার ঘটনায় গ্রামবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে।লম্পট মিঠুন এমন কুকর্ম করে ধরা পড়লেই তার আশ্রয়দাতা তার শুশুর যোষেফ হাত পা চেপে ধরে ক্ষমা চেয়ে পার পাই।এর পিছনে কাজ করে বাঘাডাঙ্গার গুটি কয়েক পাতি নেতা গোছের চিহ্নিত দালাল।লম্পট মিঠুনের বিষয়ে তথ্য নিতে গিয়ে জানা যায় তার বাবা ঝাকুব মন্ডল ছিল এই লম্পট মিঠুনের মত। সে ও বারবার এমন কুকর্ম করে জনগনের হাতে মার খেত।গত কয়েকদিন পূর্বে লম্পট মিঠুন তারা শালার বউকে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। যা পরবর্তীতে গৃহবধূ তার পরিবারকে বললে ও গ্রামে জানাজানি হলে লম্পট মিঠুন আবারো পার পেতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তার দালালদের ম্যানেজ করে।কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারাই তা ভেস্তে যায়।নিজেদের ভিতর ঘটনা হওয়ায় তারা মামলা না করে মিঠুনকে ধরে উত্তম মধ্যম দিয়ে তারপর পুলিশে দেওয়ার চিন্তা করে।বিষয়টি লম্পট মিঠুন জানতে পেরে গা ঢাকা দেয়।লম্পট মিঠুনের ঘটনা প্রকাশ্য এলে বেরিয়ে আসছে একের পর ঘটনা।তার দোকানে মুদিখানার মাল আনতে গেলেও অনেক মেয়ের হাত চেপে ধরার ঘটনাও প্রকাশ্য আসতে শুরু করেছে।সচেতন মহলের অনেকে বলেন বড় কোন ঘটনা ঘটার আগে কিংবা লম্পট মিঠুন কাউকে ধর্ষন করার আগে তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনলে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ করলে যেমন বেরিয়ে আসবে সব কাহিনি তেমনি হয়তো অনেক মেয়ে লম্পট মিঠুনের লালসার হাত থেকে রক্ষা পাবে।বারবার একজন মানুষ কিভাবে ক্ষমা চেয়ে পার পেতে পারে।সে তো বার বার ঘটনা ঘটিয়েই চলেছে।লম্পট মিঠুন সহ তার মদদদাতা তার শুশুর যোশেফ ও তার দালাল দুটিকেও আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানিয়েছে সচেতন মহল সহ গ্রামবাসী।জানা গেছে বছর কয়েক পূর্বে এই মিঠুন গাঁজাগাছ সহ ধরা পড়ে ভ্রাম্যমান আদালতে জেল হয়।জেল থেকে বের হয়ে সে চা ও কীটনাশকের দোকানদারী করতে থাকে।এর পাশাপাশি সে গোপনে করতে থাকে মাদকের ব্যাবসা।দিনের বেলায় চায়ের দোকানদারী করলেও রাত হলেই হয়ে উঠে ভয়ংকর।পাড়ার বেশ কয়েকজন গৃহবধূ কে কুপ্রস্তাব সহ নানান ভাবে জ্বালাতে থাকে।অনেকে মানসম্মানের ভয়ে গোপনে চুপচাপ থাকলেও সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। দিনের চায়ের দোকানদারী আর রাতে গোপনে মাদকের ব্যাবসা করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায়।রাতের আঁধারে যার তার ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চালায় এই লম্পট মিঠুন।এর পিছনে মদদ দাতা হিসাবে রয়েছে বেশ কয়েকজন।যারা বারবার তাকে বাঁচাতে বিভিন্ন মহলে তদবির করে।সে এমন কুকর্ম করে ঝামেলায় পড়লেই লম্পট মিঠুনকে বাঁচাতে তারা বিভিন্ন মহলে শুরু করে দৌড়ঝাপ।এই লম্পট মিঠুন বারবার পার পেয়ে যাওয়ায় ও তার বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ায় সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। সে গত দুদিন পূর্বে এক গৃহবধূকে (মেয়েটির মান সম্মানের কথা চিন্তা করে নাম পরিচয় গোপন করা হলো) কুপ্রস্তাব সহ জাপটে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চালায়।এ সংক্রান্ত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশিত হলে নিজেকে বাঁচাতে ও ঘটনা নিজেদের ভিতর হওয়ায় তা ধামাচাপা দিতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে লম্পট মিঠু ও তার দালালরা দৌড়ঝাপ শুরু করে বলে জানা গেছে।এ দফায় আরো একবার রক্ষা পেতে যে মোটা অংকের টাকা দালালদের পিছনে ঢালছে বলে জানা গেছে।শেষ মেষ মেয়েপক্ষ নিজেদের ভিতর ঘটনা হওয়ায় আপোষ মিমাংসা করে নিতে পারেও বলে গ্রামের অনেকে জানান।তবে বিষয়টি পুরো গ্রামে জানাজানি হওয়ায় বৃথা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা হবে বলে মনে করেন অনেক।ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী জানান দুই দালাল মিমাংসার জন্য ধরেছে। তাদের বলেছি কোন ছাড় হবেনা।আগে তার উত্তম মধ্যম তারপর পুলিশে দেব । এ নিয়ে জানাজানি হলে পুরো গ্রাম জুড়ে হৈ চৈ শুরু হয়ে যায়।বিষয়টি নিজেদের ভিতরে হওয়ায় তারা নিজেরাই বসে আপোষ মিমাংসার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।লম্পট মিঠুনের কঠোর শাস্তির দাবীতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।লম্পট মিঠুনের কঠোর শাস্তির দাবীতে একাট্টা হয়েছে মহল্লাবাসী।অনেকে বলেন এমন পাগলা কুকুরের গলায় বেড়ি না পড়ালে সে আরো অনেক ঘটনা ঘটাবে।কতবার সে মাফ চেয়ে পার পাবে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূর শুশুর ও তার বাবা আজ মঙ্গলবার জানান তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।মাদক ব্যাবসায়ী লম্পট মিঠুনকে আইনের আওতায় আনতে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপি এম এর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর