মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
রাণীনগরে মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও নেতৃত্ব সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে- এমপি হেলাল নোয়াখালী জেলা শহরে মোবাইল কোটের অভিযান দামুড়হুদার জয়রামপুর রেলগেটে ডাম্পার থাকলেও নাই কোন গেটম্যান, কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সচেতন মহল রাজশাহী চারঘাট-বাঘা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১ আসমানী ছবির নায়িকা সুস্মি রহমান বলেছেন আমি প্রযোজকের ক্ষতি করতে চাই না দামুড়হুদার সমাজসেবা অধিদফতর প্রদত্ত সেবা বিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে রাণী খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার, ফারিয়া ও রেশমি পেল বাবার আদর ফিরে দেখা বিজয়ের মাস বিজয়ের মাস ডিসেম্বর শুরু

সংক্রমণ রোধে যেসব প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন

Reporter Name / ৭৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪০ অপরাহ্ন

জাগো দেশ ডেস্কঃ শরীরে নানা ধরনের ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন, যা অনেক সময় মারাত্মক আকার ধারণ করে। এ সময় আমরা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকি। তবে আপনি জানেন কী? প্রাকৃতিকভাবে এমন অনেক অ্যান্টিবায়োটিক রয়েছে, যা শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। সেই সঙ্গে ক্ষত সারাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বেশ কার্যকরী। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে সর্দি- কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, হাড়ে সংক্রমণসহ অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আসুন জেনে নিই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যেসব প্রাকৃতিক অ্যান্টোবায়োটিক রাখতে পারেন-

১. রসুনের ভেতরে যে অ্যান্টিবায়োটিক রয়েছে, তা রোগ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। খাদ্যাভ্যাসে অলিভ অয়েলে ভেজানো রসুন যোগ করতে পারেন। একদিনে দুটি রসুনদানা খেতে পারেন।

২. আরেকটি ঘরোয়া অ্যান্টিবায়োটিক হচ্ছে মধু। চিনির বিকল্প হিসেবে মধু খেতে পারেন। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। মধু ব্যাক্টেরিয়ার বিকাশও প্রতিরোধ করে।

৩. হলুদে উপস্থিতি কার্কুমিনকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বলা হয়। কারণ কার্কুমিনে শরীরের উপকারী শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি ফ্রি র্যাডিকালগুলির দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। হলুদ ব্রেনস্টেম উন্নত করতে এবং গাঁটে ব্যথা কমাতেও সহায়তা করে।

৪. আদা প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে। তাই একে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বলা হয়। আদা খেলে বমি বমি ভাব, বুক জ্বালার মতো সমস্যা দূর হয়।

৫. প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে পরিচিত নিম ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে। এর অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান ব্রণ, ত্বকের সংক্রমণ দূর করে। এটি মুখের ও দাঁতের নানা সমস্যাও দূর করতে বেশ কার্যকর। এ ছাড়া নিমপাতা সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে চর্মরোগজনিত সমস্যা দূর হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর