রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে কুড়ুলগাছির ৪ ভুয়া পুলিশ আটক দামুড়হুদার হাউলি ইউনিয়নে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি কাজের শুভ উদ্বোধনে আলী মুনছুর বাবু হিলি সীমান্তে মিষ্টি দিয়ে বিজিবি- বিএসএফের শুভেচ্ছা আরও ২৩ প্রাণহানি, নতুন শনাক্ত ১৩০৮ শুভ জন্মদিন প্রাণপ্রিয় বড় ভাইয়া হরিণাকুণ্ডুতে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক বিক্রেতা শাকিল গ্রেফতার শুভপুর ইউনিয়নে জয়পুর গ্রামে হত্যার ঘটনার এজাহারনামীয় ০১ জন আসামী গ্রেফতার নরসিংদীর ঘোড়াশালে বিভিন্ন পূর্জা মন্ডপ পরির্দশন করেন মেয়র পদপ্রার্থী তুষার দামুড়হুদা বিষ্ণুপুরে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি কাজের শুভ উদ্বোধন কুড়ুলগাছির ফুলবাড়ি বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযানে ফেনসিডিল ও ইয়াবা উদ্ধার

লোভে পড়ে পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে মা-মেয়েকে মারধর!

Reporter Name / ৫০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লোভে পড়ে মা ও মেয়েকে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চৌহাট ইউপির নিকলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন- ওই ইউপির বাসিন্দা মোকাদ্দেস আলীর স্ত্রী সামেলা বেগম ও তার মেয়ে রেহেনা আক্তার পলি। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার মুন্সিরচর গ্রামের পুলিশের এসআই আনিসুর রহমান ও তার ভাই আতুল্লাচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শহিদুর রহমান। স্থানীয় সূত্র জানায়, মুন্সিরচর বাজারে নিকলা মৌজায় মোকাদ্দেস আলীর চায়ের দোকান দখলে নিতে ভাঙচুর চালান এসআই আনিসুর ও তার ভাই শিক্ষক শহিদুর রহমান। এ সময় দোকানে থাকা মোকাদ্দেসের স্ত্রী সামেলা ও তার পলি ভাঙচুরে বাধা দেন। তখন তাদের টেনে-হিঁচড়ে দোকান থেকে বের করে সড়কে এনে মারধর করে রক্তাক্ত করেন আনিসুর ও শহিদুরের নেতৃত্বে থাকা লোকেরা। ওই সময় দোকানের আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, মা ও মেয়ের চিৎকার শুনের স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। এদিকে খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত এসআই আনিসুর রহমান বলেন, আমরা কাউকে মারধর করিনি। অভিযোগকারীরা আমার বোনকেই মেরেছে। এমনকি আমার বিরুদ্ধে করা জিডির প্রতিবেদন পক্ষেই এসেছে। ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের খবর শুনে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর