রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
জয়রামপুরে চৌধুরীপাড়ার শফিকুল ইসলামকে অর্থ সহায়তা করেছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান দিনব্যাপি নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২১ জাতীয় দিবস উদযাপন করলো চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ দামুড়হুদার জয়রামপুরে অবৈধভাবে ফসলী জমি কেটে মাটি উত্তোলনের অপরাধে নজরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন দামুড়হুদায় “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ”ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে দামুড়হুদা উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতীকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে দর্শনা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস- ২০২১ উপলক্ষে নেত্র‌কোণা জেলা পুলিশের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন চুয়াডাঙ্গায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ

Reporter Name / ৮৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৬:১০ অপরাহ্ন

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুর শহরের ডিজিটাল এ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্যে শহরের প্রভাবশালী একটি মহল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে প্রসূতির স্বজনরা হাসপাতালের সামনে দোষীদের বিচারের দাবিতে অবস্থান নিয়েছেন। সদর থানা পুলিশ মোতায়ন আছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের ডাসার থানার আটিপাড়া গ্রামের রুনা আক্তার নামে এক অন্তঃসত্ত্বার প্রসব বেদনা উঠলে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ডিজিটাল এ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফায়সাল কাবীর ও ডা. ফারজানা আফিয়া মেঘলা ওই প্রসূতিকে সিজার করে একটি পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ করে। এ সময় প্রসূতির রক্ত প্রয়োজন বলে তার স্বামী রমজান মালকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতির অবস্থার বেগতির বলে নিজেরাই একটি এ্যাম্বুলেন্সে তুলে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। পরে ফরিদপুর মেডিকেলের চিকিৎসক দেড় থেকে দুই ঘণ্টা আগে প্রসূতি মারা গেছে বলে জানান। স্বজনরা রুনা আক্তারের মরদেহ নিয়ে পুনরায় ডিজিটাল এ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখন ডিজিটাল এ্যাপোলো হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান মনির ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মরদেহ দাফন করতে বলেন। কিন্তু বিয়ষটি স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা পুলিশকে জানালে সন্ধ্যার দিকে সদর থানা পুলিশ এসে বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। নিহতের স্বামী রমজান মাল জানান, আমাকে রক্ত আনার কথা বলে হাসপাতালে লোকজন নিজেরাই আমার স্ত্রীকে ফরিদপুর পাঠিয়ে দেয়। তারা কোনো কাগজপত্র দেয়নি। পরে ফরিদপুর গিয়ে জেনেছি, ডিজিটাল এ্যাপোলো হাসপাতালে সিজার করার সময়েই আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলছে। তারা আমাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি কাউনে না জানানো জন্যে অনুরোধ করে। টাকা চাই না, দোষীদের বিচার চাই। তিনি আরো জানান, সিজার করার সময় এনেস্থিশিয়া ডাক্তার ছিল না। ফলে আমার স্ত্রীকে ভুল চিকিৎসা করে মেরে ফেলেছে। তবে ডিজিটাল এ্যাপোলো হাসাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান মনির ভুল চিকিৎসার কথা অস্বীকার করে বলেন, রোগীর প্রেসার বেশি থাকায় চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রের্ফাড করেন। সেখানে গিয়ে রোগী মারা গেছে। আমাদের কোনো অবহেলা ছিল না। আর টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপার বিষয় বলেন, ‘রোগী গরির হওয়ায় দাফন-কাফনের জন্যে ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল। এ ব্যাপারে মাদারীপুরের অ্যাডিশনাল এসপি আব্দুল হান্নান মিয়া জানান, নিহতের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সিভিল সার্জন ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করে, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর