শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ১০:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ টগরের ৪৯তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত  ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরে আওয়ামী নবীন লীগের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিলের আয়োজন পরিবেশ বান্ধব কলম আবিষ্কার করলেন, যশোরে নাসিমা আক্তার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকীতে দোয়া ও সভা অনুষ্ঠিত আন্দুলবাড়ীয়ায় যথাযথ মর্যাদায় ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালিত কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত মৌলভীবাজারে ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হরিনাকুন্ডুতে ভাই ভাই ক্লিনিকে অপারেশনের পর গৃহবধূর মৃত্যু মেহেরপুর জেলা পুলিশের জাতীয় শোক দিবস পালন মেহেরপুরের কুতুবপুরে জাতীয় শোক দিবস পালন

শারীরিক-মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে স্বামীকে হত্যা করেন বিউটি

Reporter Name / ৫৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ১০:০২ অপরাহ্ন

আশানুর রহমান গাজীপুর প্রতিবেদকঃ পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে স্বামী সাইফুল ইসলামকে গলাকেটে হত্যা করেন স্ত্রী বিউটি বেগম। বৃহস্পতিবার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান তিনি। জবানবন্দিতে বিউটি বেগম জানান, তিনি টঙ্গী কোকাকোলা ফ্যাক্টরিতে চাকরি করেন। তার স্বামী সাইফুল ইসলাম টঙ্গীর সড়কে পান-সিগারেট বিক্রি করতেন। তিনি আড়াই বছর ধরে স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ করতেন। যেকোনো পুরুষকে জড়িয়ে বাজে কথা বলতেন। ঘটনার দিন সকালে বিউটি বেগম স্বামীকে খাইয়ে ও মেয়েকে স্কুলে পাঠিয়ে ফ্যাক্টরিতে চলে যান। কিছুক্ষণ পর অসুস্থ বোধ করায় ছুটি নিয়ে বাসায় ফেরেন। এরপর হাত-মুখ ধুয়ে ঘরের মেঝেতে ওড়না বিছিয়ে শুয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর সাইফুল ঘরের দরজা বন্ধ করে বিউটির কাছে এসে শরীরে হাত দেন ও শারীরিক সম্পর্ক করতে চান। ওই সময় তিনি বিউটিকে জিজ্ঞেস করেন, ‘চুল ভেজা ক্যান? কয়জনের লগে আকাম করে আসছিস?’ এই বলে স্ত্রীর গলায় খামচি দিয়ে গলা টিপে ধরেন সাইফুল। বিউটি তার হাত থেকে ছুটতে না পেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে যান।

বিউটি আরো জানান, জ্ঞান ফিরে দেখেন তার স্বামী পাশেই ঘুমিয়ে আছে। তখন তিনি ক্ষোভে তরকারি কাটার ধারালো ছুরি দিয়ে স্বামীর গলা কাটেন। এরপর রক্ত দেখে আবার অজ্ঞান হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তার ছোট মেয়ে সানজিদা স্কুল থেকে ফিরে গোঙানির শব্দ পেয়ে দরজায় ধাক্কা দেন। আশপাশের লোকজনও বিষয়টি টের পেয়ে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকে। অনেকক্ষণ পর বিউটি বেগমের জ্ঞান ফিরলে তিনি দরজা খুলে দেন। তখন সবাই সাইফুলের মরদেহ ও পাশে একটি রক্তমাখা ছুরি, বিউটি বেগমের চুলে ও কাপড়ে রক্ত, তার গলা ও গালে নখের আঁচড়ের দাগ দেখতে পায়। এরপর বিউটি বেগম রক্তমাখা কাপড় ধুয়ে গোসল করে বড় মেয়ে শারমিনের বাসায় চলে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর