শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কোনভাবেই কোন ইস্যুতেই বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবে না -তথ্যমন্ত্রী আলুকদিয়া বাজার ও ভালাইপুর মোড়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : নাগরিকদের সচেতন করতে মাস্ক বিতরণ কার্পাসডাঙ্গায় আবাসনের পাশে ভূমিহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনে কমিশনার ড.মু.আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ঐতিহাসিক ৫ ডিসেম্বর আজ বঙ্গবন্ধুর ঘোষণায় এদেশের নাম হয় ‘বাংলাদেশ জয়পুরহাটে অস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার ওয়াহেদপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে ভাই বোনের মৃত্যু অবাদ্ধ প্রেমিক হাসিনা হারভীয়া আলমডাঙ্গার দুর্লভপুর গ্রামে মোজাম্মেল হকের নির্বাচন সংক্রান্ত মত বিনিময় সভা আলমডাঙ্গায় পৌর নির্বচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ৭ জনের আবেন পত্র জমা মালি শান্তিরক্ষা মিশনের উদ্দেশ্যে ১৪০ পুলিশ সদস্যের ঢাকা ত্যাগ

‘নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণ করা হবে’

Reporter Name / ৬৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টারঃ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, সারাদেশে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত যে কোন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি বাঁধ উচু, প্রশস্ত এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। নদীগুলোতে ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশেই স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে মানুষ নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন। বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বেলটিয়া গ্রাম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন যারাই করবে তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসকদের যেভাবেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্ব একটি কমিটি রয়েছে। অপরদিকে যারা নদীগুলোতে অবৈধ স্থাপনা করেছেন তাদেরকে বিরুদ্ধে আমারা যৌথ অভিযান করেছি। এ অভিযান অব্যহত থাকবে। ইতিমধ্যেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীদের কাছে চিঠি দিয়ে কোন কোন জায়গাগুলো অবৈধ দখলদারদের দখলে রয়েছে, সেগুলোর তালিকা আমরা নিয়ে এসেছি। তালিকা ধরে আমরা কাজও শুরু করেছি। তবে বর্তমানে বর্ষার কারণে আমরা নদী ভাঙন এলাকাগুলোতে কাজ করছি। বর্ষার পড়েই আবার উচ্ছেদ অভিযান নতুন করে শুরু করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বেলটিয়া গ্রামে নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি হারা মানুষকে সরকারী উদ্যোগে পুর্নবাসন করা হবে। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে ড্রেজিংয়ের বালি দিয়ে ভরাট করে যার যেখানে ঘর-বাড়ি ছিল সেখানেই তাদের ঘর-বাড়ি নির্মান করে দেয়া হবে সরকারী উদ্যোগে। পরে উপমন্ত্রী ওই এলাকায় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ ৩৭ টি পরিবারের প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ১০ হাজার করে টাকা ও ত্রাণসামগ্রী বিতরন করেন। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গনির সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমান খান সোহেল হাজারী, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মতিন সরকার, প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজার) মো. আজিজুল, ময়মনসিংহ সার্কেলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ, টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামিম আরা নিপাসহ জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ নেতারা। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপারের ২য় রক্ষা বাঁধের নির্মান কাজ শেষ হতে না হতেই গত কয়েকদিন আগে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাঁধের ব্লক ভেঙে বেলটিয়া গ্রামের বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়ি যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর