বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিবন্ধী নারীকে গণধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামির ২ দিনের রিমান্ড বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে গেল ৮০৫ টন ইলিশ যে কারণে মিন্নির মৃত্যুদণ্ড মোবাইলে প্রেম: গাইবান্ধায় এক মাসে হুট করেই ২৩ তরুণী উধাও ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি চুয়াডাঙ্গার আব্দুস সাক্তার জালিয়াতি করে জামিন,হাইকোর্টে জাল নথি : পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ গাংনীতে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদযাপন মেহেরপুরে মাদক মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার মেহেরপুর জেলা পুলিশে কর্মরত আনসার সদস্যদের প্রত্যাবর্তন শেষ গাংনী পৌরসভায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট কাজের উদ্বোধন মেহেরপুরে ধর্ষণের প্রতিবাধে মানববন্ধন

ছুঁয়েও দেখলেন না কোন ডাক্তার, বাবার কোলেই শিশুর করুণ মৃত্যু

Reporter Name / ৯৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৪ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টারঃ কোলে নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে থাকা এক বছরের সন্তানটি নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে শুয়ে হাউমাউ করে কাঁদছিলেন প্রেমচাঁদ । পাশে বসে তাঁর স্ত্রী আশা দেবীও সমানে কেঁদে যাচ্ছিলেন। রোববার( ২৯ জুন) বিকেলে এমনই এক দৃশ্য দেখা গেল ভারতের উত্তরপ্রদেশের কনৌজে। কয়েক দিন ধরে শিশুটির জ্বর। গলাও ফুলে উঠেছিল। ছেলেকে নিয়ে প্রেমচাঁদ ও তাঁর স্ত্রী সোজা ছুটে গিয়েছিলেন কনৌজের সরকারি হাসপাতালে। অভিযোগ, চিকিৎসকরা শিশুটিকে ছুঁয়ে পর্যন্ত দেখেননি, উল্টে প্রেমচাঁদকে বলেছেন, এখানে কিছু করা সম্ভব নয়। কানপুরের হাসপাতালে তাঁরা যেন শিশুটিকে নিয়ে যান। যদিও চিকিৎসকরা এবং হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রেমচাঁদের এই অভিযোগকে সরাসরি নস্যাৎ করেছেন। উল্টে হাসপাতালের তরফ থেকে দাবি করা হয়, ওই দিন বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট নাগাদ শিশুটিকে নিয়ে আসেন ওই দম্পতি। তার অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক ছিল। সঙ্গে সঙ্গেই শিশুটিকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসর পর খবর দেওয়া হয় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকে। কিন্তু তত ক্ষণে আধঘণ্টা কেটে গিয়েছিল। এই সময়ের মধ্যেই মৃত্যু হয় শিশুটির। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও দাবি করেন, শিশুটিকে বাঁচানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছিল। এখানে গাফিলতির কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু প্রেমচাঁদের অভিযোগ, “প্রথমে চিকিৎসকরা ছেলেকে ছুঁয়ে দেখতেই চাননি। হাসপাতালেই বেশ কিছু লোক ঘটনাটির ভিডিও করতে থাকায় চিকিৎসকরা ছেলেকে পরীক্ষা করা শুরু করেন। আমাদের আধঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়েছিল। তারপর ছেলেকে কানপুরে নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎস করা।” এর পরই প্রেমচাঁদ বলেন, “আমি গরিব মানুষ। টাকা নেই। কীই বা করতে পারতাম!”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর