শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
ইউএনওদের মতোই উপজেলা চেয়ারম্যানদেরও নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ গ্রামীণ খেলা গ্রামেই আছে সাতক্ষীরায় জামায়াতের ১০ নারীকর্মী আটক সন্তান পরিচয়ে বৃদ্ধাকে হোটেলে ফেলে রেখে গেল ‘ছেলে’ তরুণীর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা প্রেমিক অ্যাসাইনমেন্টের জন্য কোনো ফি নেই: শিক্ষামন্ত্রী ‘ছুটির ঘণ্টা’র মতো আরেকটি ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল ঝিনাইদহে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ অপরাধীদের কাছে আতঙ্কের নাম বলে ব্যাপক প্রচারণা পেয়েছে:দর্শনা থানার ওসি মাহাব্বুর রহমান কাজল: তৎপরতায় আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি, জনমনে স্বস্তি মুজিবনগরে নিখোঁজ হওয়ার ৬ ঘণ্টা পর স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

কার্পাসডাঙ্গা পীরপুরকুল্লার ব্রাকের কর্মী সাইফুল হত্যার এজাহার ভুক্ত পলাতক ৫ আসামী রতন – আ:হাই-সাখাওয়াৎ-স্বপন-মামুন ঢেঁকির এর অপরাধ জগতের উত্তান

Reporter Name / ২২১৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন

ষ্টাফ রিপোর্টার:চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের নতুনপাড়ার আব্দারের ছেলে ব্রাকের কর্মী সাইফুল হত্যার এজাহার ভুক্ত পলাতক আসামী খোদাবক্সের ছেলে রতন,স্বপন, আলী মোল্লার ছেলে আ:হাই,নুর আলীর ছেলে সাখাওয়াৎ,নজুর ছেলে মামুন ঢেঁকির এর অপরাধ জগতের উত্তান কাহিনি অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে নানান রকমের চাঞ্চল্যকর তথ্য।অনুসন্ধানে জানা গেছে রতন ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ছিল বিএনপির একনিষ্ঠ একজন কর্মী।তার পরিবারের অনেক লোকজন ও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।২০০৮ সালের নির্বাচনের পর রতনের এক আত্মীয়ের কারনে রতনের ভাগ্য ফিরে যায়।রতন কুড়ুলগাছি ঠাকুরপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশু পাচার(ধুর) (ভারতে আত্মীয় আছে বাংলাদেশে বসবাস করে বিনা পার্সপোর্টে গোপনে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যায় এদের ধুর বলে)।এ ব্যাবসায় জড়িয়ে পড়ে রতন ও আ:হাই। জনপ্রতি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়ে তাদের ভারতে পৌঁছে দিতো এ দুজন।পরবর্তীতে ঠাকুরপুর সীমান্তদিয়ে ভারতীয় গরু, মোটরসাইকেল,সাইকেলের চোরাকারবারী শুরু হলে রতন ও আ:হাই জড়িয়ে পড়ে এ চোরাচালানানিতে।এক পর্যায়ে রতন ও আ:হাই নিজেদের প্রশাসনের সোর্স পরিচয় দিয়ে চোরাকারবারীদের কাছে তুলতে থাকে অবৈধ পয়সা।রাতারাতি লাখপতি বনে যায় দুজনে। আ:হাই ও রতন মিলে শুরু করে ভারতীয় পেঁয়াজ সহ নানান ধরনের অবৈধ ব্যাবসা।পীরপুরকুল্লা গ্রামে হয়ে উঠে অপ্রতিরোধ্য।যে আ:হাই এর কয়েক বছর পূর্বেও ঝাঁপের বেড়ার ঘর ছিলো সে অবৈধ টাকা পেয়ে তার ছেলেকে সিঙ্গাপুর পাঠায়।সেখানে সে কিছুদিন থেকে চলে আসে বাড়িতে। আ:হাই রাতারাতি অবৈধ টাকা আয় করে কয়েকবছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা খরচ করে তৈরী করে আলিশান বাড়ি,টয়লেট ও বাথরুম।রাতারাতি চেহারা ফিরে যায় আ:হাই ও রতনের। আর এতে সাহায্যকারী হিসাবে কাজ করে রতনের ভাই কথিত ছাত্রফেডারেশনের জেলা সাধারন সম্পাদক স্বপন ও তার আরেক চাচাতো ভাই সাখাওয়াৎ ও মামুন ঢেঁকি।রতন ও আ:হাই ধরাকে সড়াজ্ঞ্যান মনে করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে শুরু করে।রতন ও আ:হাই এর ক্ষমতার দাপটে চোরাকারবারীদের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করতে থাকে সাখাওয়াৎ।রতন ও আ:হাইকে তাঁর চোরাচালানির পার্টনার ও করে নেই।শেষমেষ আ:হাই ও রতন পীরপুরকুল্লায় একটি ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষকদের বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে দ। সবশেষ ব্রাকের কর্মী সাইফুল হত্যা মামলায় আসামী হয় রতন,আ:হাই,স্বপন, সাখাওয়াৎ,মামুন ঢেঁকি।নাম না প্রকাশ করার শর্তে অনেকে বলেন রতন ও আ:হাই এর হাত অনেক লম্বা।তারা কি ক্ষমতা ও টাকার প্রভাবে শেষমেষ পার পাবে। না সাইফুল হত্যা মামলায় তাদের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।সাইফুলের বাবা আরো জানান এ পাঁচজনের সাথে রহেদ ও সাদ্দাম ও জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে বের করা হোক ।সচেতন মহল সহ এলাকাবাসীর দাবী যাতে করে সাইফুল হত্যা মামলার এসব আসামীরা কোন ভাবেই ছাড় না পাই ও সাইফুলের পরিবার যেন ন্যায় বিচার পাই সেজন্য চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল


এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর