মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের ভাষনের ৫০ বছর পালন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্প মাল্য অর্পন তালা’র ৬৭জন নৌকা প্রতিক প্রত্যাশীর ১১জনই খেশরা ইউনিয়নের খাউলিয়ায় আলহাজ্ব মাস্টার সাইদুর রহমান কে নৌকার মাঝি হিসাবে চায় দলীয় নেতাকর্মীরা নারী দিবসের প্রাক্কালে আলমডাঙ্গা গোবিন্দপুরে এক বোনের জমি ,আরেক বোন জবর দখলের চেষ্টা ‘স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি ও আমরা’লেখক আলমডাঙ্গায় ২ বেকারিতে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা জীবননগরে পাট চাষিদের এক দিনের প্রশিক্ষণ জমি নিয়ে দুই ছেলের মারামারি দেখে বাবার মৃত্যু ফলোআপ: ছোট্ট শিশু কোলে নিয়ে ভাইরাল ইউএনও দিলারা ছদ্মনামে মোবাইলে প্রেম, ডেকে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

জীবননগরে লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলায় ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

Reporter Name / ১৫৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

মহিবুল ইসলাম, জীবননগর প্রতিবেদকঃচুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় সোমবার সকালে লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় জীবননগর বাজারের ভাই ভাই ক্লথ এন্ড গার্মেন্টস এর স্বত্বাধিকারী লতিফ উদ্দিনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার গত ১০ মে থেকে লকডাউন শিথিল করে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার উদ্দেশ্যে গার্মেন্টস সহ অন্যান্য দোকান খোলার অনুমতি দেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত চুয়াডাঙ্গা জেলার কোন মার্কেট বা গার্মেন্টস এ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কোন ধরনের সচেতনামূলক ব্যবস্থা বা সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলায় গত ১৪ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত পূণরায় লকডাউন এর ঘোষণা দেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা
প্রশাসক মোঃ নজরুল ইসলাম সরকার চুয়াডাঙ্গা জেলার নিত্য প্রয়োজনীয় ও ঔষধের দোকান, কৃষি বিপনী ও কাঁচামাল ব্যতীত অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং অবৈধ সকল যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেন । একই সাথে তিনি গণবিজ্ঞপ্তি জানিয়েছেন যে, নিয়ম অমান্য করলে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলায় লকডাউন উপেক্ষা করে কাপড় ব্যবসায়ী কে দোকান খোলার অপরাধে তাকে ভ্রাম্যমান আদালতে নগদ এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও বলেন , যেহেতু চুয়াডাঙ্গা জেলায় করনো আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, সে কারণে সরকারী নির্দেশ অর্থাৎ লকডাউন অমান্য করে কেউ ব্যবসা-বাণিজ্যে পরিচালনা করলে সে ক্ষেত্রে আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোরনব্যবস্থা গ্রহণ করব। জীবননগর থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, আসন্ন ঈদে যে যার কর্মস্থল কর্মরত তাকে সেখানে অবস্থান করতে হবে। কোন ভাবে তার কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না। যদি বাইরের কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করে জীবননগরে অর্থাৎ লকডাউন এলাকায় আসে তবে সেই ব্যক্তি কে তৎক্ষণাৎ পুনরায় ফেরত পাঠানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর