সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
মুজিবনগরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীর দাফন মুজিবনগরে রাস্তার রাজা মাটিবাহী ট্রাক্টর,সড়ক যেন মরনফাঁদ গাংনীতে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানী বন্ধসহ ১০ দফা দাবীতে মানববন্ধন গাংনীর চেংগাড়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীন খেলাধুলা অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে মিনি নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’র উদ্বোধন স্বাধীনতার মাস শুরু সিরাজদিখান নতুন ভাষানচর ফুটবল প্রিমিয়ার লিগ অনুষ্ঠিত  সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ পক্ষ থেকে ৫ গুনি ব্যক্তিকে স্বঃস্বঃ কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান আলমডাঙ্গায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ আলী মুনছুর বাবুর খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সাথে সাক্ষাৎ

আজ ২১তম রোজা: জেনে নিন সারাদেশের ইফতারের সময়

Reporter Name / ১০১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন

জাগো দেশ ডেস্কঃ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে জাগো দেশ এর পাঠকদের জন্য
প্রতি দিনের ন্যায় আজও দেয়া হল সারাদেশের ইফতারির সময়। আজ শুক্রবার (১৫ মে) ২১তম রোজার ইফতারের সময় হল (ঢাকা জেলা) সন্ধ্যা ৬টা ৩৭ মিনিট। ঢাকা জেলার সময়ের সাথে যে সব জেলার ইফতারের সময় বাড়াতে হবে আর যে সব জেলার ইফতারের সময় কমাতে হবে। নিম্নে দেয়া হল:

আরবিতে ইফতারের দোয়া:

(আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া তাওয়াক্কালতু আ’লা রিজক্বিকা ওয়া আফতারতু বি রাহমাতিকা ইয়া আর্হামার রা-হিমীন।) অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির
জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।

ইফতারের দোয়া বাংলায়:-

হে আল্লাহ তায়ালা আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমাজানের ফরয রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনেই রোজার পরিসমাপ্তি করছি ও রহমতের আশা নিয়ে ইফতার আরম্ভ করছি। তারপর ‘বিসমিল্লাহি ওয়া’আলা বারাকাতিল্লাহ’ বলে
ইফতার করা শুরু করুন। শেষ দশকের বিশেষ চার আমল রমজানের শেষ দশকে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইবাদত-বন্দেগিতে আরো বেশি মনোযোগী হতেন। অন্যান্য সময়ে করা আমলগুলো এই সময় বৃদ্ধি পেত। শেষ দশকে রাসুল (সা.)-এর কয়েকটি আমল হলো—

১. রাত্রি জাগরণ:

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমজানের শেষ দশকে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইবাদতের জন্য লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে ফেলতেন তথা ইবাদতের জন্য পরিপূর্ণ
প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন। সারা রাত জেগে ইবাদত করতেন এবং স্বীয় পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন। (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)

২. লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান:

লাইলাতুন অর্থ রাত। কদরের এক অর্থ সম্মান, মর্যাদা, সুমহান। আরেক অর্থ তাকদির বা ভাগ্য নির্ধারণ। লাইলাতুল কদর অর্থ সম্মানিত রজনী বা ভাগ্য নির্ধারণের রজনী। এই রাত হাজার মাসের চেয়ে মর্যাদাবান এবং এই রাতে পরবর্তী এক বছরের ভাগ্য নির্ধারিত করা হয় বলে এই রাতকে লাইলাতুল
কদর বলা হয়। মহানবী (সা.) এ রাত অনুসন্ধান করতেন এবং উম্মতকেও অনুসন্ধান করতে বলেছেন। ইরশাদ হয়েছে, তোমরা রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতে শবেকদর তালাশ করো। (সহিহ বুখারি) কদরের রজনীর নির্দিষ্ট বর্ণনা কোরআন ও হাদিসে নেই। ফলে রাতটি নির্ণয়ে ইমামদের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। কারো মতে কদর রমজানের ২১তম রাত, কারো মতে ২৩তম রাত, কেউ বলেন ২৫তম রাত, কেউ বলেন ২৯তম রাত। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে ২৭তম রাত।

৩. ইতিকাফ করা:

ইতিকাফ অর্থ অবস্থান করা, আটকে রাখা, নিজেকে বন্দি করা, মসজিদে অবস্থান করা ইত্যাদি। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ইবাদতের উদ্দেশ্যে রমজানের শেষ ১০ দিন মসজিদে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলে।
ইতিকাফ রমজানের শেষ দশকের বিশেষ আমল। ভোগবাদী দুনিয়ার মিথ্যে মায়া ত্যাগ করে, পরিবার-পরিজন, চাকরি-বাকরি, ব্যবসা- বাণিজ্য ইত্যাদি বর্জন করে কেবল মনিবের সন্তুষ্টির জন্য একান্তে বসে ইবাদত বন্দেগি করা উচ্চ মানসম্পন্ন মুমিনের পরিচয়। আয়েশা (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন, যে পর্যন্ত না আল্লাহ তাঁকে ওফাত দান করেন। তাঁর পরে তাঁর স্ত্রীরা এভাবে ইতিকাফ করতেন। (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিবছর রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করতেন। যে বছর তাঁকে তুলে নেওয়া হয়, সে বছর তিনি ২০ দিন ইতিকাফ করেছিলেন। (সহিহ বুখারি)

৪. সাদাকাতুল ফিতর আদায়:

সাদাকা অর্থ দান, জাকাত ইত্যাদি। আর ফিতর অর্থ ভঙ্গ করা, বিদীর্ণ করা, সৃষ্টি করা ইত্যাদি। উভয় শব্দের যৌথ অর্থ দানের মাধ্যমে ভঙ্গ করা। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর শাওয়াল মাসের প্রথম দিন দান ও ঈদ উদ্যাপনের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করা হয়, তাই এই দান সাদাকাতুল ফিতর এবং এই দিনকে ঈদুল ফিতর বলা হয়। ধনী স্বাধীন মুসলমান ব্যক্তির ওপর সাদাকায়ে ফিতর ওয়াজিব। মহানবী (সা.) রমজানে অধিক পরিমানে দান করতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, রমজানে রাসুল (সা.)-এর দান সদকা করার ব্যাপারে উৎসাহ উদ্দীপনা অধিক বেড়ে যেত। তিনি রমজান মাসকে শারুল মুয়াসাত তথা সহানুভূতির মাস বলে ঘোষণা করেন। সাদাকায়ে ফিতর ওয়াজিব হয় দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) সাদাকায়ে ফিতর নির্ধারণ
করেছেন রোজাকে অনর্থক ও অশালীন বাক্যালাপ থেকে পবিত্র করার জন্য এবং নিঃস্বদের খাদ্য দানের জন্য। (সুনানে আবি দাউদ)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর