বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
‘টিকা নেওয়ার পর মনে করবেন না সব সমাধান হয়ে গেছে’ অধীনস্থ পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের সাথে নিজ নিজ কর্তব্য পালনের নির্দেশ কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার। শাহবাগে বিক্ষোভ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী আটক দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত আসামী আটক ৫ পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহতদের শ্রদ্ধায় স্মরণ দামুড়হুদা উপজেলায় গাছে গাছে ফুটেছে সজনে ফুল সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমান অভিযানে ১টি ইট ভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দামুড়হুদা নতিপোতা ইউনিয়ন বিট পুলিশিং উদ্বোধন করেন দামুড়হুদা সার্কেল আবু রাসেল দর্শনা টু মুজিবনগর সড়কের উন্নয়ন কাজ কালভার্ট নির্মানে নেই কোন সতর্ক চিহ্ন:প্রতিদিন ঘটছে ছোটবড় দূর্ঘটনা কুড়ুলগাছিতে অগ্নিকান্ডে ঘরবাড়ি ভস্মিভূত:নগদ টাকা সহ আসবাব পত্র পুড়ে ছাই:ফায়ার সার্ভিসের হস্তক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রনে

জয়রামপুরে ৪ মুদি দোকানে চুরির ঘটনায় পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাগাতার অভিযান চালিয়ে আন্ত:জেলা চোরচক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার

Reporter Name / ৯০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

দামুড়হুদা অফিসঃ দামুড়হুদার জয়রামপুরে ৪ মুদি দোকানে চুরির ঘটনায় পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাগাতার অভিযান চালিয়ে আন্ত:জেলা চোরচক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলার একই সিন্ডিকেটের ১৭ জন চোরের নাম প্রকাশ করেছে। উদ্ধার করা হয়েছে নগদ দেড় হাজার টাকা, বিভিন্ন ব্রান্ডের ৮৪ প্যাকেট সিগারেট এবং ২ কেস কোমল পানীয়। এ ছাড়া চুরি কাজে ব্যবহৃত ফেলা যাওয়া মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫/২০ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। আটককৃতদের গতকাল রোববার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গত শুক্রবার দিনগত রাতে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর নওদাপাড়ায় ৩ মুদি দোকানে এবং একই গ্রামের ডাক্তারপাড়ায় একটি মুদির দোকানে ওই দু:সাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের জয়রামপুর নওদাপাড়ার ঠান্ডুর ছেলে আজিজুল ইসলাম, একই মহল্লার আয়ুব আলীর ছেলে আব্দুস সামাদ, সামছদ্দিনের ছেলে আমিন মিস্ত্রি এবং একই গ্রামের ডাক্তারপাড়ার আমির আলীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম দির্ঘদিন ধরে মুদি দোকান দিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। আজিজুল মুদির পাশাপাশি মোবাইলে বিকাশ করেন এবং আমিন মিস্ত্রি মুদির পাশাপাশি সার ও ডিজেল বিক্রি করেন। গত শুক্রবার গভীর রাতে চোরচক্র ওই ৪ দোকানে পর্যায়ক্রমে হানা দেয় এবং নগদ টাকা ও বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট চুরি করে মাঠ দিয়ে পালানোর সময় এলাকাবাসি ঠিক পেয়ে যায়। এ সময় এলাকাবাসি চোর চোর বলে চিৎকার-চেচামেচি শুরু করে এবং চোরদের পিছু ধাওয়া করে। এলাকাবাসির ধাওয়া খেয়ে চোরচক্র মোটরসাইকেল ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামবাসি বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান। পুলিশ মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায়। পরে ওই মোটরসাইকেলের সূত্র ধরে জাল বিস্তার করে পুলিশ। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে মোটরসাইকেলটি কোটচাঁদপুরের একটি শো-রুম থেকে ক্রয় করা। পুলিশ ওই শো-রুম থেকে মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিকের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে। ওইদিনই মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক জীবননগর বাঁকা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রোকনুজ্জামান পলাশকে আটক করে থানায় নেয়। তার জিজ্ঞাসাদের ভিত্তিতেই বেরিয়ে আসে বাকী চোরদের নাম ঠিাকানা। চোরচক্রকে পাঁকড়াও করতে দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে ওসি (তদন্ত) কেএম জাহাঙ্গীর কবীর, সেকেন্ড অফিসার এসআই জিয়াউর রহমান, এসআই আমজাদ হোসেন ও এসআই তৌহিদুজ্জামান শনিবার রাতভোর চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরসহ কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের অবস্থান সনাক্ত করে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের কেদারগঞ্জ পাড়ার মোক্তার হোসেনের ছেলে আন্ত:জেলা চোরচক্রের অন্যতম সদস্য মিজানুর রহমান পল্টুকে (২৮) আটক করা হয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের ডিঙ্গেদহ খাজুরা গ্রামের জামাত আলীর ছেলে শামিম (২৭) এবং কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার পুড়াদহের মোক্তার আলীর ছেলে রাকিবুকে (৩৯) স্ব স্ব এলাকা থেকে আটক করা হয়। দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল খালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, আটককৃতরা আন্ত:জেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের কাছ থেকে নগদ দেড় হাজার টাকা, বিভিন্ন ব্যান্ডের ৮৪ প্যাকেট সিগারেট এবং ২ কেস কোমল পানীয় উদ্ধার হয়েছে। আটককৃতরা মোট ১৭ জনের নাম/ঠিকানা প্রকাশ করেছে। তারা সকলেই আন্ত:জেলা চোরচক্রের সদস্য এবং তাদের বাড়ি চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলায় বলে আটককৃতরা জানিয়েছে। এ দিকে চুরির ঘটনার দুদিনের মাথায় চোরচক্রকে আটক করতে সক্ষম হওয়ায় এলাকাবাসি পুলিশ প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এলাকাবাসি বলেছেন ওসি আব্দুল খালেক একজন বিচক্ষন পুলিশ অফিসার। তিনি ইতিপূর্বে দামুড়হুদা থানায় ওসি (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এলাকার চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসি ও ডাকাতদলের সদস্যদের ধরে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর