মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের ভাষনের ৫০ বছর পালন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্প মাল্য অর্পন তালা’র ৬৭জন নৌকা প্রতিক প্রত্যাশীর ১১জনই খেশরা ইউনিয়নের খাউলিয়ায় আলহাজ্ব মাস্টার সাইদুর রহমান কে নৌকার মাঝি হিসাবে চায় দলীয় নেতাকর্মীরা নারী দিবসের প্রাক্কালে আলমডাঙ্গা গোবিন্দপুরে এক বোনের জমি ,আরেক বোন জবর দখলের চেষ্টা ‘স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি ও আমরা’লেখক আলমডাঙ্গায় ২ বেকারিতে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা জীবননগরে পাট চাষিদের এক দিনের প্রশিক্ষণ জমি নিয়ে দুই ছেলের মারামারি দেখে বাবার মৃত্যু ফলোআপ: ছোট্ট শিশু কোলে নিয়ে ভাইরাল ইউএনও দিলারা ছদ্মনামে মোবাইলে প্রেম, ডেকে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

টাঙ্গাইলে থামছে না ঘরে ফেরা মানুষের ঢল, গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পরছে ঢাকা ফেরত কর্মজীবী লোকজন। বাড়ছে করোনা সংক্রামণের ঝুঁকি।

Reporter Name / ২৪৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন

আখি আক্তার কলি,টাঙ্গাইল সদর প্রতিনিধি; চলতি বছরের মার্চের শেষের দিকে বাংলাদরশে দেখা দিয়েছে করোনা প্রাদুর্ভাব। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনায় সারা দেশে যখন যখন ঘরে অবস্থান করার প্রস্তুতি নিচ্ছে টাঙ্গাইলে সে সময় চলছে ঘরে ফেরার আপ্রাণ চেষ্ঠা। নির্দেশ অমান্য করতে পিছপা হচ্ছে না ঢাকাস্থ কর্মজীবী টাঙ্গাইল বাসি। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জের মত যে সকল এলাকায় উত্তরবঙ্গের তিস্তা ব্রহ্মপুত্র ধরলা বিধৌত এলাকার মানুষজন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ও ইটখোলায় কাজ করছিলো তারা, সরকারের বিধিনিষেধ অমান্য করে বিভিন্ন উপায়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে। তারা করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ এমনকি নিজেদের নিরাপত্তার কথাও মানছেন না। তারা অধিকাংশ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল,ভূয়াপুর,মধুপুর, আরো বিভিন্ন এলাকায় অতর্কিতভাবে প্রবেশ করছে। জেলা পুলিশ টাঙ্গাইল থেকে বার বার বলা হচ্ছে যে, আমরা টাঙ্গাইল ঢোকার প্রতিটি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়েছি।

চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও কিভাবে তারা টাঙ্গাইল বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশ করছে তা জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে এবং ঢাকা ফেরত বিভিন্ন জনকে প্রশ্ন করে জানা যায় তারা নাকি সবাই বাসে করেই বাড়িতে ফিরেছে। যেখানে সারা দেশে গণপরিবহন চলাচল নিষেধ, সেখানে আবার নাকি তারা বাসে করেই এসেছে! ভোরের আলো ফোঁটার আগেই দেখা যায় অনেক এলাকায় মানুষজন মাইক্রোবাস, অটোরিকসা, পিকআপ ভ্যান এবং ট্রাকে করে বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে পড়ছে।তাদেরকে প্রশ্ন করলেই তারা বলছে আমরা বাসে করে এসেছি। অনেককেই তাদের নিজ এলাকায় ঢুকতে না দেওয়ায় অবস্থান করতেছে অন্য কোন এলাকায় আত্মীয় হয়ে। বিভিন্ন গ্রামে এবং প্রতিটি বাজারে চলছে নিয়মিত নির্বাহী মেজিস্ট্রেটদের অভিযান। সাথে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। ঢাকা ফেরতদের তারা বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শসহ তাদের নমুনা নেওয়ার ব্যাবস্থা করছেন স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে। কিছুতে কমেছে না দোকানে,বাজারে যাওয়ার ভীর। তারা মানছে না কোন আইন। গুনলে দেখা যায় সব কটাই ঢাকা ফেরত। যাদের থাকার কথা হোম কোয়ারেন্টাইনে। প্রশাসন যেন বিপাকে। প্রশাসনের সাথে যেন চোর পুলিশ খেলতেই তারা স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।
নারায়ণগঞ্জ ফেরত ভূয়াপুরে একজন প্রবেশ করলে পুলিশ এসে নিয়ে যায়।নমুনা পরীক্ষা করলে পজিটিভ আসে।গোপালপুর একজনের পজিটিভ আসে,ঘাটাইলে একজনের মৃত্যু হয়।এত করুণ অবস্থা তবু সচেতন নয় মানুষ। তবে সমাজের সচেতন মহলের একটাই পরামর্শ বাইরে থেকে যারা প্রবেশ করছেন তাদের অনুপ্রবেশ ঠেকানো গেলেই টাঙ্গাইল করোনার প্রকোপ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। এজন্য প্রশাসনকে আরো তত্পর হতে হবে। অনুপ্রবেশকারী যতই কৌশল অবলম্বন করুক না কেন।আরো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর