শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
মোরেলগঞ্জে ঘেরের ভেড়িতে করলা চাষে লাভবান কৃষকের মুখে মিষ্টি হাসি আমি যে তোর — আলমডাঙ্গায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন।যে কোন সময়ের চেয়ে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল চুয়াডাঙ্গায় ‘জিনের বাদশা’ নিয়ে গেল দেড় লাখ টাকা সেই শাবনূরের সন্তানের দায়িত্ব নিলেন ইউএনও শাহাদাৎ হত্যা: তিনজনের যাবজ্জীবন চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২ চুয়াডাঙ্গা ভি. জে. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৭২ সালের এসএসসি ব্যাচের বন্ধু মিলনমেলা আসন্ন দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে নির্বাচনী মতবিনিময় ও গণসংযোগ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আনসার-ভিডিপি’র জনসচেতনতামূলক কোভিড-১৯টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণ র‌্যালী ও আলোচনা সভা

দৌলতপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তথ্যবিভ্রাট শিরোনাম দিয়ে মিথ্যে সংবাদ প্রচার।

Reporter Name / ৮৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

দিদারুল ইসলাম প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া দৌলতপুরের ০৪নং মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ আলমগীরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে ভিজিডি এবং ওএমএস এর চাউল আত্মসাতের নামে মিথ্যে এবং তথ্যবিভ্রাট সংবাদ প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যান শাহ আলমগীর। সম্প্রতি মরিচা ইউপির ০১, ০২,এবং ০৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য, শারমিন সুলতানার নামে উক্ত ওয়ার্ডের একজন মহিলার কার্ড ব্যবহার করে ১২মাসের ভিজিডি চাউল উত্তোলনের অভিযোগ গনমাধ্যমে প্রচার হয়েছে।এই ঘটনার তদন্ত করে সত্যতাও মিলেছে এবং ইউপি সদস্য নিজেও স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে উনার সাংসারিক অস্বচ্ছলতার কারনে আরেকজনের নাম ব্যবহার করে উনি চাউল উত্তোলন করতেন।কিন্তু যার কার্ড উনি ব্যবহার করতেন সম্পর্কে ঐ কার্ডধারী মহিলা উনার জা(দেবরের বউ) হন এবং তিনি ইতিমধ্যে সেই কার্ড সমঝোতার মাধ্যমে দিয়েও দিয়েছেন।কিন্তু এই ভিজিডি কার্ড ইস্যু এবং চাউল আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের নামে বলে অপপ্রচার করা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে

এ বিষয়ে মরিচা ইউপি চেয়ারম্যানের জানান তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এবং তথ্যবিভ্রাট করে মিথ্যে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে কারন এই ভিজিডি কার্ড ইস্যু করার ক্ষমতা বা এখতিয়ার চেয়ারম্যানের নেই।এটা ইস্যু করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা।আমি শুধুমাত্র প্রতি ওয়ার্ড প্রতি মেম্বরদের মাঝে কার্ড ইস্যুর পূর্বে সমবন্টন করে দিয়েছি এখন স্ব-স্ব ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা যদি মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজেদের কিংবা পরিবারের সদস্যদের নামে কার্ড ইস্যু করান এ বিষয়ে আমি কি বলতে পারি।এমনকি কার্ড ইস্যুর পর নিয়োগকৃত একজন ডিলারের মাধ্যমে চাউলটা বিতরন করা হয়।আর অধিকাংশ ইউপি সদস্যরা পারিবারিক ভাবে অস্বচ্ছল ও হয়তো অনেক সময় এ তথ্য জানলেও মানবিক কারনেও কিছু বলা যায়না।

এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকতার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আসলে ভিজিডি এবং ওএমএস কার্ড ইস্যু করা হয় আমাদের কার্যালয় থেকেই।প্রতিটা মেম্বররা যে তালিকা বা নাম দেন সেই নামের উপরেই কার্ড ইস্যু হন।কিন্তু মেম্বররা যদি নিজেদের তথ্য গোপন করে নিজেদের নামে কিংবা পরিবারের নামে কার্ড ইস্যু করান তবে আমরা কিভাবে ধরবো।আর আমার জানামতে মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়ার এবং বৈরাগীরচরের দুইজন কর্মকর্তা জনাব শাহজালাল এবং আসিফ আহাম্মেদ আমাদের অফিসের কর্মকর্তা।তাদের নিজ এলাকার ইউপি সদস্যরা যদি এরকমটা করেন তবে আমার করনীয় কি বলেন।

তবে চেয়ারম্যান সাহেবের কোন ক্ষমতা বা এখতিয়ার নেই এই কার্ড ইস্যুকরনের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর