বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে হেপাটাইটিস “বি” ভ্যাক্সিন (বুস্টার ডোজ) ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত জীবননগরে শিকড় সমাজ কল্যাণ সংস্থার বাস্তাবায়নে ১শত পরিবারের মাঝে বিনামুল্যে টিউবওয়েল বিতরণ মিডিয়ায় গুজব, অপপ্রচার, নারীর প্রতি ডিজিটাল ভায়োলেন্স ও কিশোর গ্যাং বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্টের জিরো পয়েন্ট থেকে কারাভোগ শেষে ভারতীয় নাগরিককে হস্তান্তর দামুড়হুদায় জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় যুবকদের জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ গাংনীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা মেহেরপুরে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন শৈলকুপাতে রাস্তায় নারীকে পিটিয়ে আহত

কোমর পানিতে নেমে ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ

Reporter Name / ১৬১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ তিন হাজার ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীকে ধান কাটতে মাঠে
নামিয়েছেন টাঙ্গাইল-২ আসনের এমপি। তারা কৃষকের ধান কেটে দেয়ার পাশাপাশি সব ধরনের সহযোগিতা করছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এমপি ছোট মনির। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল থেকে ভূঞাপুরের পৌর এলাকার বীরহাটি গ্রামের বর্গা চাষির খুকুর ২০ শতাংশ প্রায় তলিয়ে যাওয়া ধান কোমর পানিতে নেমে কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা।
এ সময় শতাধিক নেতা-কর্মীরা ধান কাটা কাজে অংশগ্রহণ করলেও যাদের ধান কাটার কাজে অভিজ্ঞতা নেই তারা সহযোগিতা করছেন অন্যকাজে। তাদের ধানকাটা কাজে উৎসাহ দিতে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী
লীগের সভাপতি মাসুদুল হক মাসুদ ও থানার ওসি মো. রাশেদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে আয়োজক ভূঞাপুর শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান চকদার বলেন, এমপির কৃষকের পাশে থাকার নির্দেশনা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পরামর্শ মোতাবেক আমরা কৃষকদের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
ধান কাটতে গিয়ে যেন কৃষকরা কোনো ক্ষতি না হয় তার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এমপি। আমরা সেই মোতাবেক ধান কেটে, মাড়াই করে কৃষকের ঘরে তুলে দিচ্ছি। এতে কৃষকরা অনেক খুশি হয়েছেন। এছাড়া ভূঞাপুর উপজেলা ছাত্রলীগ ও গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মীরা প্রায় প্রতিটি ইউপিতেই দরিদ্র ও অসহায়
কৃষকদের ধানকাটা কাজে নানাভাবে সহায়তা করছেন। এ বিষয়ে এমপি ছোট মনির বলেন, দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকাই বড় ধর্ম। আমরা ত্রাণ বিতরণ থেকে শুরু করে সর্বক্ষণ মানুষের পাশে আছি। তিনি আরো বলেন, একদিকে শ্রমিক সংকট তার উপর এক বিঘা জমির ধান ঘরে তুলতে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা লাগে। তাই আমরা চিন্তা করেছি আমাদের এই সামান্য চেষ্টায় যদি একজন
কৃষকও উপকৃত হোন সেটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর