মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন

করোনায় অসহায় মানুষের পাশে মেয়র জিপু

Reporter Name / ১২৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন

মাহফুজ মামুন, চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদনঃ করোনা ভাইরাসের কারণে প্রভাব পড়েছে
খেটে খাওয়া নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের মাঝে। এ মানুষ গুলোর মুখে আহার তুলে দিতে দিন-রাত কাজ করছেন চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র। করোনার মাঝেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত কাজ করছেন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণের পর বৃহস্পতিবার ভোর থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা- কর্মীদের সাথে নিয়ে সদর উপজেলা বেলগাছি গ্রামে দুই কৃষকের ৩ বিঘা জমির ধান কাটেন। চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক
লীগের আহবায়ক ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু বলেন, দেশে করোনা রোগী প্রথম সনাক্ত হওয়ার পর থেকে মানবসেবায় কাজ করার চিন্তা করি। শহর
জীবাণুমুক্ত করার জন্য দুই বেলা ব্লিচিন পাউডার মিশ্রিত পানি ছিটায়। সাধারণ মানুষদের করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে নানা প্রচার-প্রচারণা শুরু করি। বাইসাইকেল চালিয়ে শহরে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করি। কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে। যেন একটি মানুষও না খেয়ে না থাকে। রোজার মাস শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিদিন দুপুরে পৌর সভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সাথে এাণ
প্যাকেটের কাজ করি। এ গুলো বিতরণ শুরু হয় রাত ১১টার পর থেকে রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। পৌর মেয়র নিজে কাঁধে করে নিয়ে যান ত্রাণ সামগ্রী। চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত প্রায় ১৯ হাজার মানুষের তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৬ হাজার মানুষের বাড়িতে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সাথে নিতে
মেয়র জিপু অসহায় কৃষকের ধান কাটতে হাজির হন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বেলগাছি গ্রামে। এসময় দুই জন কৃষকের ৩ বিঘা জমির ধান কাটেন। করোনা ভাইরাসের মধ্যে ডেঙ্গু মশার বিস্তার না ঘটে সে জন্য নানা মুখি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ময়লা আবর্জনা ও ড্রেন পরিস্কার করছেন। ফগার মেশিন দিয়ে স্প্রে করে মাশা নিধন করা হচ্ছে ওয়ার্ড গুলোতে। ৫টি ওয়ার্ডে মশা মারার কাজ শেষ
হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিরাতে শহরে পাগল, ভবঘুরে মানুষ ও হাসপাতালে আসা রোগিরস্বজনদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। কারণ তারা অসহায়। শহরে হোটেল, দোকান বন্ধ সাথে মানুষের উপস্থিতি না থাকায় ভবঘুরে ও পাগলরা না খেয়ে থাকতো। হাসপাতালগুলোতে দুর-দূরান্ত থেকে মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে। তাদের স্বজনরা নিয়মিত খাবার নিয়ে আসা পারে না। এ সব কথা চিন্তা করে মানুষ গুলোর জন্য রান্না করা খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করি। চুয়াডাঙ্গা বেলগাছি গ্রামের কৃষক লাল্টু মিয়া বলেন, জমির ধান পেকে গিয়েছে কয়েক দিন আগে। শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে পারছিলাম না। পৌর মেয়র তার লোকজন দিয়ে আমার ২ বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছে। ধান গুলো ঘরে তুলতে পারবো। চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার পলাশপাড়ার বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন, পৌর মেয়র তালিকা করে নিজে উপস্থিত থেকে অসহায় মানুষের বাড়িতে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে। কাউকে ত্রাণ নিতে ছুটতে হচ্ছে না। ভাল উদ্যোগ নিয়েছেন। ডেঙ্গু মশা নিধনে কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর