শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে ছাত্র ফেডারেশনের বিক্ষোভ নাটুদাহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির মায়ের ইন্তেকাল জানাযা সম্পন্ন দামুড়হুদার জুড়ানপুর ফসলী জমি ধবংস করে চলছে মাটি কাটার মহোৎসব বুকের ব্যথা ‘বিএনপির সমাবেশ বানচালে’ হঠাৎ করেই ১৮ রুটে বাস চলাচল বন্ধ নওগাঁয় সকালে তালিকা থেকে বাদ দুপুরে মৃত্যু বিকেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন: এলাকায় আলোচনার ঝড় কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের পৃথক পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য ভুয়া ডিবি সহ গ্রেফতার – ৫ দর্শনা ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ট্রাক চুরির ঘটনা ঘটেছে বিডিআর হত্যাকান্ডের প্রত্যুষে কেন খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে গেলেন প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রী’র চকরিয়ায় পিকআপ চাপায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১

পাইকগাছার জেলে পরিবারগুলোর মানবেতর জীবন যাপন করছে

Reporter Name / ৮৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

শাহরিয়ার কবির (ব্যুরো চিফ) খুলনাঃ-করোনাভাইরাসের প্রভাবে খুলনার পাইকগাছায় প্রায় সাতশত মালো (জেলে) পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়েছে। নদীতে মাছ ধরতে না পারায় চরম দুশ্চিন্তা আর হতাশার মধ্যে তাদের দিন কাটছে। এ সব নিন্ম আয়ের দরিদ্র মালো পরিবারগুলো এখনো পর্যন্ত তেমন ত্রাণ সামগ্রী পায়নি। ফলে অর্ধাহারে তাদের দিন কাটছে।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় সাতশত মালো পরিবার রয়েছে। মালোদের বসবাস উপজেলার হিতামপুর বোয়ালিয়া, নাছিরপুর, কাশিমনগর, নোয়াকাটী, মাহমুদকাটী, বাঁকা, রাড়ুলী, শাহাপাড়া গ্রামে।এসব গ্রামে বসবাসরত পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস সুমদ্রে মাছ ধরা। বছরের প্রায় ৪/৫ মাস বঙ্গপোসাগরের মোহনায় দুবলার চরে মহাজনের অধিনে মাছ ধরতে যায়। সেখানকার দুবলার চরের আলোর কোল, নারকেলবাড়ী এলাকায় মাছ শিকার করেন।এসব জেলে ৪২ হাত দৈর্ঘ্য ও ১২ হাত প্রস্থের নৌকা নিয়ে অক্টোবরের শেষে সমুদ্রে পাড়ি জমান। আর মার্চ মাসে আবার বাড়ি ফিরতে শুরু করেন। এক শ্রেণির মহাজনের কাছ থেকে এক লাখ টাকায় ১৫-২০ হাজার টাকা সুদে দাদন নিয়ে পথে নামেন জেলেরা। এভাবে সাত-আট জেলের নৌকাপ্রতি খরচ হয় ১০-১২ লাখ টাকা। বছরের বাকী সময় স্থানীয় নদ-নদীতে মাছ ধরে ও ক্ষুদ্র ব্যবসা করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রভাবে গোটা বিশ্ব থমকে গেছে। প্রভাব ঠেকাতে বিভিন্ন দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বোয়ালিয়া মালোপাড়ায় সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলেদের নৌকাগুলি নদীর চরে পড়ে আছে। কাজ না থাকায় বেকার হয়ে তারা হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন। হিতামপুর বোয়ালিয়া মালোপাড়ার সুশান্ত বিশ্বাস বলেন, ‘করোনার কারণে নদীতে মাছ ধরতে পারছি না। আয় রোজগার বলে কোনো কিছু নেই। ধার দেনা করে চলছি। তার উপর মহাজনের কাছ থেকে নেয়া দাদনের টাকা পরিশোধ করার চাপ দেয়া হচ্ছে। খুব দুঃচিন্তায় পড়েছি।’পরিমল বিশ্বাস বলেন, ‘সাগর থেকে যা আয় করেছিলাম তা বেশির ভাগ মহাজনকে দিয়েছি। এখন হাতে আর টাকা নেই। সংসারে খাবার নেই, তার উপর কাজ না থাকায় বেকার সময় পার করছি। মেম্বারের সাথে যাদের সম্পর্ক ভালো তারা ত্রাণ পেয়েছে। বাকী কেউ কিছু পায়নি। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। ’রাড়ুলী মালোপাড়ার সুশান্ত বলেন, ‘আমরা মাছ ধরা ছাড়া অন্য কাজ পারি না। তাছাড়া সরকার ঘর থেকে আমাদের বের হতে দিচ্ছে না। তাহলে আমরা কি করে খাব। এই দুর্দিনে কেউ আমাদের খোঁজ-খবর নেয় না। জানি না আমাদের কপালে কি আছে। ’ত্রাণের বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমরা কোনো কমিউনিটিকে ধরে ত্রাণ দিচ্ছি না। তারপরও সেখানে যারা পাওয়ার যোগ্য তাদের তালিকা করে চেয়ারম্যানদের কাছে ত্রাণ দেয়া হয়েছে। তারপরও তারা কেন ত্রাণ পাচ্ছে না তা জানি না। আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর