রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ১১:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কেক কাটার মধ্য দিয়ে ৭ মার্চ ২০২১ আনন্দ উদযাপন করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম রাণীনগর থানা পুলিশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস উদযাপন রাণীনগরে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হলো ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষন দিবস কেক কাটার মধ্য দিয়ে ৭ মার্চ ২০২১ আনন্দ উদযাপন করেছে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ শৈলকুপায় সাড়ম্ব‌রে ঐ‌তিহা‌সিক ৭ই মার্চ পা‌লিত জয়রামপুরে চৌধুরীপাড়ার শফিকুল ইসলামকে অর্থ সহায়তা করেছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান দিনব্যাপি নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২১ জাতীয় দিবস উদযাপন করলো চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ দামুড়হুদার জয়রামপুরে অবৈধভাবে ফসলী জমি কেটে মাটি উত্তোলনের অপরাধে নজরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন দামুড়হুদায় “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ”ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রমজানে মসজিদে খতম তারাবিহ হচ্ছে না ৫ হাজার হাফেজ পরিবার অসহায় জীবন যাপন

Reporter Name / ১১২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ১১:১৭ অপরাহ্ন

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,বাগেরহাট:মরণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে পবিএ রমজানে এ বছর বাগেরহাটে প্রায় ২৫১৪টি মসজিদে খতম তারাবিহ নামাজ পড়ানো হচ্ছে না। এ সাথে জড়িত প্রায় ৫ হাজার পরিবার অসহায় জীবন যাপন করছে।সাধারনত মুসল্লীদের দানেই চলে। আর এই দানের অংশ থেকেই বেতন হয় ইমাম,হাফেজদের।কোভিড-১৯ এ আত্রান্তের সংখ্যা বিশ্বব্যাপি বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার মসজিদে না গিয়ে বাড়ীতে বসে নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত দেন। এতে বেশিরভাগ মুসল্লীরা ঘরে বসেই নামাজ পড়েন ঘরে বসেই। মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতি না থাকায় ইমাম ও হাফেজরা তাদের বেতন পাচ্ছেননা। বেতন না পাওয়ায় অধিকাংশ পরিবার নিয়ে চরম অর্থ কস্টে রয়েছেন। এ সামান্য বেতন দিয়ে তাদের কোন রকমের জীবন চালিয়ে যেতে হয়।আবার খতম তারাবিহ নামাজ বন্ধ থাকায় ওই সব কুরআনে হাফেজদের এক মাসের আয় রোজাগার থাকছে না। । করোনার কারনে প্রায় মসজিদে মসজিদে এ বছর খতম তারাবিহ পড়ানো হচ্ছে না। বিশেষ করে প্রতিটি মসজিদে ১২ জনের বেশী মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন-সরকারি ভাবে এমন সংখ্যা বেধে দেওয়ার পর বাগেরহাটে অধিকাংশ মসজিদেই খতম তারাবিহ নামাজ আদায় করা হবে না।

ভাইজোড়া জামে মসজিদের সভাপতি মোতালেব ফকির জানান এলাকার মুসল্লীদের চাঁদার টাকায় আমাদের মসজিদ চলে। করোনাভাইরাসের কারনে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে আসেনা এবং মাসিক চাঁদাও দেয় না, তাই আমরা ইমামদের বেতন দিতে পারছি না। একারনে আমাদের ইমাম এখন মসজিদে আসতে চাচ্ছে না। ভাইজোড়া জামে মসজিদের ইমাম বলেন, গত মাসের বেতন এখন পর্যন্ত দেয়নি। চলতি মাসে মসজিদ কমিটি কি করবে জানি না। করোনাভাইরাসের কারনে মুসল্লীরা এখন মসজিদে নামাজ পড়তে আসেনা বললেই চলে। পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে ভিষন কষ্ট হচ্ছে। সরকারি ভাবে আমাদের যদি সাহায্য করতো তাহলে হয়তো দু‘বেলা দু‘মুঠো খেতে পারতাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর