সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কার্পাসডাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ,আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কেক কাটার মধ্য দিয়ে ৭ মার্চ ২০২১ আনন্দ উদযাপন করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম রাণীনগর থানা পুলিশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস উদযাপন রাণীনগরে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হলো ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষন দিবস কেক কাটার মধ্য দিয়ে ৭ মার্চ ২০২১ আনন্দ উদযাপন করেছে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ শৈলকুপায় সাড়ম্ব‌রে ঐ‌তিহা‌সিক ৭ই মার্চ পা‌লিত জয়রামপুরে চৌধুরীপাড়ার শফিকুল ইসলামকে অর্থ সহায়তা করেছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান দিনব্যাপি নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২১ জাতীয় দিবস উদযাপন করলো চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ দামুড়হুদার জয়রামপুরে অবৈধভাবে ফসলী জমি কেটে মাটি উত্তোলনের অপরাধে নজরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন

বীরের দেশে চোরের বাস:ওরে বাবা কি সবর্নাশ

Reporter Name / ১৯৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

লাইফ স্টাইল জেগো দেশ ডেস্কঃ আমাদের প্রিয় দেশ বাংলাদেশ।সোনার বাংলাদেশ।যেখানে সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা প্রকৃতি সকলকে মুগ্ধ করে।আমরা বাঙ্গালী আমরা বীরের জাতি।আমরা মায়ের ভাষার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে পারি।আমরা জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি।আমরা বীর।আমাদের সুখ্যাতি বিশ্বব্যাপী।আমাদের কারনে আজকে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।জাতিসংঘে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করে আমাদের বাংলাদেশকে বাংলা ভাষাকে নিয়ে গেছেন অনন্য স্থানে ।আমাদের দেশ বীরের দেশ।বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ।লাঠি, কোদাল,যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া সূর্য্য সন্তানদের দেশ।আমাদের দেশ কম্বল চোরের দেশ।আমাদের দেশ বাঙ্গালী জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করা স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, বাংলাদেশকে স্বাধীনতা এনে দেওয়া জাতীর পিতাকে স্বপরিবারের নির্মম ভাবে হত্যা করা কুলাঙ্গারদের দেশ।আমাদের দেশ এতিমের টাকা আত্মসাৎ করা, পরের টাকায় হাওয়া ভবন বানানোর দেশ।আমাদেশ দেশ লক্ষ লক্ষ টন কয়লা চুরির দেশ।বালিশ,পর্দা কেলেংকারিতে লুটপাট করার দেশ।আমাদের দেশ সরকারের দেওয়া গরীবের ঔষুধ বিভিন্ন ফার্মেসিতে বিক্রি করার দেশ।আমাদের দেশ তলা বিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নতি হবার দেশ।আমাদের দেশ নিজের টাকায় পদ্মা সেতু বানানোর দেশ।আমাদের দেশ গরীব অসহায় মানুষকে ১০ টাকা কেজিতে চাল দেবার দেশ।আমাদের দেশ বয়স্ক,বিধবা, প্রতিবন্ধী, মাতৃত্বকালীন ভাতা দেবার দেশ।আমাদের দেশ নতুন বছরের প্রথম দিনে কোটি কোটি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেবার দেশ।আমাদের দেশ ডিগ্রী পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করে দেবার দেশ।আমাদের দেশ কৃষককে বিনামূল্য তেল, সার,কৃষি সরঞ্জাম দেবার দেশ।আমাদের দেশ গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা নিশ্চিত করার দেশ।আমাদের দেশ রোগীদের বিনামূল্য নানান রকম মেডিসিন দেবার দেশ।আমাদের দেশ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেবার দেশ আমাদের দেশ একবারে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করন করার দেশ।আমাদের দেশ অসম্ভব কে সম্ভব করার দেশ।আবার এই বীরের দেশেই চাল,ডাল,তেল,ময়দা, সুজি,গম,সব কিছুই চুরি করার দেশ।শুধু চুরি হয়না জাতীর পিতার রেখে যাওয়া আদর্শ।চুরি হয়না জননেত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলাদেশ বিনির্মানে দিনরাত পরিশ্রম করার সেই চেষ্টার শক্তি,সাহস,বুদ্ধিমত্তা।সত্যিই ঘৃনা হয় এসকল চোর বাটপার দেখলে।বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেন একা একটা পরিবারের পিতার ভূমিকা পালন করছেন আর আমরা বাড়ির ছোটছেলের মত খামখেয়ালিপনা করে ঘুরে বেড়াচ্ছি।ভাবছি ধুর বাবা তো আছেন সব দায়িত্ব তাঁর আমি বাড়ির ছোট ছেলে বলে কথা। এসব না করলে কি মানাই।সব যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেই দেখতে হবে।আপনারা যারা টিভির পর্দায় বড় বড় কথা বলেন এমপি মন্ত্রী ফলান তাঁদের বলছি যেদিন হেফাজতে ইসলাম ঢাকার শাপলা চত্তর ঘেরাও করে তান্ডব লীলা চালাচ্ছিল সেদিন কতজন মন্ত্রী এমপি সাহস নিয়ে দাড়িয়েছিলেন।আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে ভোবেছিলেন নেত্রী তো আছে।আমি লিখে দিতে পারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী না থাকতেন তবে হেফাজত কি করতো তা সকলে জানেন।একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরোপুরি দক্ষতার সহিত তা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছেন।দেশকে আরো একবার বাঁচিয়েছেন। বাঁচিয়েছেন বাংলাদেশে বসবাসরত কোটি কোটি স্বাধীনতার স্বপক্ষে থাকা মানুষ গুলিকে ।জননেত্রী শেখ হাসিনা কোটি কোটি টাকার গাড়ি দিয়েছেন ঘুরতে নই জনগনের সেবা করতে।প্রধানমন্ত্রী তো কখনো নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বলে জাহিরি করেন না।আর দেশের একটা মেম্বর, একটা কমিশনার মন্ত্রীর মত ভাব দেখান। রাতারাতি কোটিপতি বনে যান।এমপি ,মন্ত্রীর পি,এস রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান।কোথা থেকে আসে এত টাকা।আজকে দেখুন কিছু চোরের দল নেতার লেবাস লাগিয়ে গরীবের ত্রানের চাল পর্যন্ত চুরি করছে।আমি তো বলবো ভাগ্য ভালো যে,যাদের নামে চাল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে তাদের চাল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। না হলে একেক নেতা ১০ টা ১৫ টা করে কার্ড নিয়ে চাল তুলে বিক্রি করে খেতো।গরুকে খাওয়াতো।সব শেষে একটি কথায় বলবো আফসোস, বীরের দেশে চোরের বাস:ওরে বাবা কি সর্বনাশ

লেখক

মেহেদী হাসান মিলন

সাংবাদিক ও কলামিস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর