সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
দামুডহুদা মডেল থানা কতৃক আয়োজিত নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২১ জাতীয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠিত কার্পাসডাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ,আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কেক কাটার মধ্য দিয়ে ৭ মার্চ ২০২১ আনন্দ উদযাপন করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম রাণীনগর থানা পুলিশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস উদযাপন রাণীনগরে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হলো ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষন দিবস কেক কাটার মধ্য দিয়ে ৭ মার্চ ২০২১ আনন্দ উদযাপন করেছে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ শৈলকুপায় সাড়ম্ব‌রে ঐ‌তিহা‌সিক ৭ই মার্চ পা‌লিত জয়রামপুরে চৌধুরীপাড়ার শফিকুল ইসলামকে অর্থ সহায়তা করেছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান দিনব্যাপি নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২১ জাতীয় দিবস উদযাপন করলো চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ দামুড়হুদার জয়রামপুরে অবৈধভাবে ফসলী জমি কেটে মাটি উত্তোলনের অপরাধে নজরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠন দিবস আজ

Reporter Name / ১৫৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন

অনলাইন ডেস্কঃ আজ ১০ এপ্রিল। একাত্তরের এদিন স্বাধীন বাংলাদেশের
প্রথম সরকার গঠন করা হয়েছিল। সরকার গঠনের পরআনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (প্রোক্লেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্স) পাঠ করা হয়। ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠন করা হয় গণপরিষদ। একাত্তর সালের ২৫ মার্চ রাতে পাক সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাঙালির রক্তে হোলি খেলায় মেতে ওঠে পাকিস্তানি বাহিনী। চারিদিকে শুরু হয় শুধু ধ্বংস আর হত্যাকাণ্ড। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। শুরু হয়ে যায় আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মানুষের প্রতি মমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এদিন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। এদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে অনুমোদন করা হয়। ঘোষণায়
বলা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপতি থাকবেন। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ভাষণ দেন। এ ভাষণ অবরুদ্ধ দেশবাসীকে আরো সাহস জোগায় ও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে। প্রধানমন্ত্রী তার এ ঐতিহাসিক ভাষণে বলেন, আমাদের এ মুক্তিযুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে স্থির বিশ্বাস। প্রতিদিনই আমাদের শক্তি বাড়ছে। আর এ সংগ্রাম বিশ্ববাসীর স্বীকৃতি
লাভ করছে। প্রধানমন্ত্রী তার বেতার ভাষণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারদের নামও ঘোষণা করেন। ভাষণে তিনি এ কথাও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলের কোন এক স্থানে। ১৩ এপ্রিল ৬ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম এবং মন্ত্রীদের মাঝে দপ্তর বণ্টন করা হয়। ১৪ এপ্রিল কর্নেল
এমএজি ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। সরকার গঠনের পর শপথগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ১৭ এপ্রিল আমাদের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। মেহেরপুরের সীমান্ত লাগোয়া বৈদ্যনাথ তলার এক বিশাল আমবাগানে অতি গোপনে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথগ্রহণের আয়োজন করা হয়। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নতুন সরকার শপথ নেয়। স্থানটির নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। প্রবাসী মুজিবনগর সরকার সফলতার সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর