রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
“শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু মোছাঃ রাফিয়া খাতুন (১২) কে হুইল চেয়ার প্রদান করলেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলো উথলী রেলস্টেশন সংলগ্ন উথলী বাজারের সাপ্তাহিক হাট ঝর্ণা প্রহর ——কমল খোন্দকার বাড়ী বাড়ী কুমড়ো বড়ির ধুম দর্শনা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৩০০শত বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন আটক আলমডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারুকঃ আমি নির্বাচিত হলেঅবহেলিত মহিলাদের পাশে দাড়িয়ে সেবা করে যাবো ইউটিউব ভিত্তিক চ্যানেল এসএফটিভির সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতির পদ থেকে শাহ আলম মন্টুর পদত্যাগ আলমডাঙ্গায় ৮ দলের ব‍্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করলেন পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু জীবননগর ৫৫ পিস ইয়বাসহ মাদক ব্যবসায়ী নাজমুল আটক বিষ্ণুপুর দারুল উলুম কাওমী মাদরাসার উদ্যোগে ১০ ম বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে হাজার হাজার মুসল্লীর ঢল

রাজশাহী চিড়িখানার ৪ হরিণকে খেয়ে ফেলল কুকুর

Reporter Name / ১৯১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

জাগো-দেশ ডেস্কঃ রাজশাহীর শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় পাঁচটি কুকুরের দল চারটি হরিণ খেয়ে ফেলেছে। শুক্রবার ভোরের এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি হরিণের দেহের অবশিষ্টাংশ মাটিচাপা
দিয়েছে। জানা গেছে, কুকুরে খাওয়া চার হরিণের তিনটিই বাচ্চা। একটি তাদের মা। এ বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে চিড়িয়াখানায় যান। কিন্তু সুপারভাইজার শরিফুল ইসলাম ঘটনার কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন। পরে হরিণের সেডের পাশে পরিচর্যকারী মধুকে পাওয়া যায়। হরিণের সেডে কুকুর কোন দিক দিয়ে ঢুকেছিল, জানতে চাইলে মধু দেখান পূর্ব দিকের বেড়ার ভাঙা অংশ। এক পর্যায়ে সবার সামনে কেঁদে ফেলে মধু বলেন, তার
কোনো দোষ নেই। মধুর স্বীকারোক্তির পরে অবশ্য সুপারভাইজার শরিফুল ইসলামও স্বীকার করেন বিষয়টি। তারা জানান, গত তিন মাসে এখানে ১৫টি হরিণের বাচ্চা জন্ম নিয়েছে। নেড়ি কুকুরের দল ঢোকার সময় সেডে মোট
হরিণ ছিল ৭৫টি। কুকুরে খাওয়ার পর এখন হরিণের সংখ্যা ৭১টি। কুকুরের পেটে যাওয়া চার হরিণের তিনটিই বাচ্চা। একটি তাদের মা। হরিণগুলোর দেহের অবশিষ্টাংশ সেডের ভেতরেই মাটি খুঁড়ে পুঁতে ফেলা হয়েছে। জায়গাটি এখনও উঁচু রয়েছে। সেডের ভেতর টিন দিয়ে তৈরি দুটি ঘরে হরিণগুলো পানি ও খাবার খায়। গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নেয়। বাকি অংশটুকু ফাঁকা। চারপাশে লোহা ও কাঁটাতারের বেড়া। বিকালে আতঙ্কিত হরিণ ফাঁকা জায়গায় বসে ছিল। এদিকে কুকুরের দল চারটি হরিণ খেয়ে ফেললেও শুক্রবার বিকালেও ভেতরে আরও কুকুর দেখা যায়। চিড়িয়াখানায় দ্বিতীয় গেটের বাম পাশের পুকুরপাড়েও শুয়ে ছিল একটি কুকুর।
চিড়িয়াখানা সূত্রের অভিযোগ, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্বহীনতার কারণেই সেডের ভেতর চারটি হরিণ কুকুরে খেয়েছে। চিড়িয়াখানার তত্ত্বাবধায়ক মাহবুবুর রহমান বলেন, করোনার কারণে সাধারণ ছুটি কাটাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাই তদারকি হয়তো কম ছিল। এই ফাঁকে দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
চিড়িয়াখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমর কুমার পাল বলেন, রাত ২টা পর্যন্ত চিড়িয়াখানার পুকুরে লোকজন কাজ করেছে। তখন পর্যন্ত কুকুর ঢোকেনি। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে শহরের হোটেলগুলো বন্ধ থাকায় কুকুরের খাবার সংকট। তাই পাঁচটি নেড়ি কুকুর চিড়িয়াখানায় ঢুকে পড়েছিল। বেড়া থাকলেও কুকুরগুলো হরিণের সেডে ঢুকতে পেরেছিল। তিনি আরও বলেন, আমরা ধারণা করছি-ক্ষুধার্ত কুকুরগুলো প্রথমে বাচ্চাগুলোকে আক্রমণ করেছিল। বাচ্চা বাঁচাতে গিয়ে মা হরিণকে কুকুরে আক্রমণ করেছে। ভোরে
চিড়িয়াখানার কর্মীরা হরিণের সেডে পাঁচটি কুকুর এবং চারটি হরিণের দেহের অবশিষ্ট অংশ পড়ে থাকতে দেখে। পরে তারা কুকুর বের করে দিয়ে হরিণের দেহের অবশিষ্টাংশ মাটিতে পুঁতে ফেলেন। এ ঘটনায় চিড়িয়াখানার তত্ত্বাবধায়ককে
একটি লিখিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন মোতাবেক পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর