বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
বিবিসির সেরা ১০০ নারীর তালিকায় ২ বাংলাদেশি কপাল ফ্যারে রাই কিশোরী শীত এসেছে শহরে নগর আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষকলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী ও খাদ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ আলমডাঙ্গা দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মহফিল বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন মোড়েলগঞ্জ- শরণখোলায় আমন ফসলে কারেন্ট পোকার আক্রমন কৃষক দিশেহারা ফকিরহাটে পৃথক অভিযানে ১১জনকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত: অভিযান অব্যাহত বাগেরহাটে নানা আয়োজনে “ভ্রমণকন্যার” ৪র্থ বর্ষপূর্তি উদযাপিত

গাংনীর ভবানীপুরে জনবসতি এলাকায় মুরগীর ফার্ম স্থাপনে পরিবেশ দূষণ

Reporter Name / ৯২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন

গাংনী প্রতিনিধিঃ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে জনবসতি এলাকায় মুরগীর ফার্ম স্থাপন করা হয়েছে। ফলে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে জনবসতি এলাকা। জানা যায়, ভবানীপুর গ্রামের মৃত পালান শেখের ছেলে আনারুল ইসলাম জনবসতি এলাকায় কয়েক বছর যাবত মুরগীর ফার্ম স্থাপন করে মুরগী পালন করে আসছেন। ফলে ফার্মের আশে-পাশের অন্তত ২০টি পরিবারের লোকজন বসবাস করতে কষ্টের শিকার
হচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ভাবে সালিসের মাধ্যমে মুরগীর ফার্ম সরিয়ে নেয়ার কথা
থাকলেও অদ্যবদি ফার্ম সরিয়ে নেননি মালিক আনারুল ইসলাম। ফলে ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। ওই এলাকায় বসবাসকারী আব্দুল জলিল, আব্দুর রহিম, গিয়াস উদ্দীন, জেসের আলী, রবিউল ইসলাম, কলম আলী, শওকত আলী, আব্দুর সাত্তার, নজরুল ইসলাম, আখের আলী, সাহারুল ইসলাম, নাহারুল ইসলাম, টুটুল
হোসেন ও মাহাতাব আলীসহ আরো অনেকে ফার্মের দূর্গন্ধ থেকে বাঁচতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে ফার্ম মালিকের পরিবারের সদস্যরা জানান আমরা গাংনী উপজেলা পশু সম্পদ দপ্তর থেকে অনুমতি নিয়ে ফার্ম স্থাপন করেছি। মানুষের কষ্ট হলেও কিছু করার নেই। কাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনারুল ইসলাম জানান এ বিষয়ে একটি সালিস বৈঠক বসেছিল। সে বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফার্ম মালিক আনারুল ইসলাম ৬ মাসের মধ্যে তার মুরগী ফার্ম অন্যত্রে সরিয়ে নেয়ার কথা ছিল। ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত ফার্ম সরিয়ে নিচ্ছেন না। তাই এটার একটি সুরাহা হওয়া উচিত। উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা মোস্তফা জামান জানান ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স দেয়ার পর পশু দপ্তর থেকে অনুমতি দিয়েছে। জনবসতি এলাকায় কিভাবে মুরগীর ফার্ম স্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা পশু সম্পদ দপ্তর কর্মকর্তা মোস্তফা জানান, আমি যেহেতু নতুন এসেছি। আমার আগে দায়িত্বরত কর্মকর্তা থাকাকালিন অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিভাবে অনুমতি দিতে পেরেছেন তা আমি বলতে পারছিনা। তারপরও সমস্যাটি নিয়ে থানা পুলিশ দেখছে। গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান বিষয়টি পশু সম্পদ দপ্তর দেখার জন্য রয়েছে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর