রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
আলমডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারুকঃ আমি নির্বাচিত হলেঅবহেলিত মহিলাদের পাশে দাড়িয়ে সেবা করে যাবো ইউটিউব ভিত্তিক চ্যানেল এসএফটিভির সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতির পদ থেকে শাহ আলম মন্টুর পদত্যাগ আলমডাঙ্গায় ৮ দলের ব‍্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করলেন পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু জীবননগর ৫৫ পিস ইয়বাসহ মাদক ব্যবসায়ী নাজমুল আটক বিষ্ণুপুর দারুল উলুম কাওমী মাদরাসার উদ্যোগে ১০ ম বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে হাজার হাজার মুসল্লীর ঢল সরকারি অনুদানের দায়মুক্তি ছবি নিয়ে ব্যস্ত আছেন নায়িকা সুস্মি রহমান দর্শনা কেরুজ চিনিকল সমূহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মানববন্ধন নাটোরের লালপুরে ৩ হাজার ৬৪০ মিটার রাস্তা পাঁকাকরণ কাজের উদ্বোধন মহেশপুরে করোনায় স্কুল মাস্টারের স্ত্রী’র মৃত্যু ঝিনাইদহে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দুরন্ত সেই মাথাভাঙ্গা এখন মরা খাল

Reporter Name / ১২২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন

হাবিবুর রহমান, দামুড়হুদাঃ মাথাভাঙ্গা এক সময়ের দূরন্ত খরস্রোতা নদী। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটি এখন মরা খাল। নাব্যতা হারিয়ে এখন এই দশা তার। স্থানীয়রা মনে করেন, নদীর দুই পাড়ের ঢালু জমি দখল করে চাষ আর কোমর দিয়ে মাছ শিকারের কারণে দিনে দিনে ছোট্ট খালে পরিণত হয়েছে নদীটি। শুষ্ক মৌসুমে নদীটিতে পানি থাকে না বললেই চলে। ফলে এই অঞ্চল থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে দেশি মাছ। দামুড়হুদা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীটির দুই পাড়ের ঢালজুড়ে চলছে চাষাবাদ।দামুড়হুদার কোষাঘাটা, বিষ্ণুপুর, কেষবপুর, দামুড়হুদা, রঘুনাথপুর, দর্শনার জয়নগর হয়ে ভরতে প্রবেশ করেছে মাথাভাঙ্গা। বর্ষা মৈাসুমে শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন মাস পর্যন্ত পানিতে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে এ নদী।বাকি ৯ মাস নদী শুকিয়ে মরা খাল হয়ে থাকে। বর্ষা শেষে পানি শুকানো শুরু হয়। এই সময় স্থানীয়রা নদীর দুই পাশের ঢাল দখল করে চাষাবাদের প্রতিযোগিতা শুরু করে। এসময় কোনো কোনো স্থানে নদীর মাঝখানে চর জেগে ওঠে। তার দুই পাশ দিয়ে সরু নালা হয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে থাকে। কোথাও কোথাও হাঁটু পানি, কোথাও কোমর পানি থাকে। মানুষ নদীর মাঝখান দিয়ে হেঁটে চলাফেরা করে। ঢালে চাষ করে ধান, গম, ভুট্টা, তামাক, পিয়াজসহ নানা ফসল ওঠে স্থানীয়দের ঘরে। এছাড়া এ মৌসুমে লাল শাক, কফি, পালনশাক, মূলাসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি জন্মে। নদীটি রক্ষা করতে দরকার এর পুনঃখনন। এর মাধ্যমে দুই পাড়ের জমি চাষ বন্ধ করলে আবার নব্যতা ফিরে আসবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুনিম লিংকন বলেন, সি এস রেকর্ড ধরে নদীর ঢাল দখলমুক্ত করে চাষ বন্ধ করে প্রয়োজনীয় স্থানে দ্রুত খনন করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হবে। দামুড়হুদা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আয়ুব আলী বলেন, জমি চাষই নদীটি ভরাট হওয়ার ৮০ শতাংশ কারণ। এছাড়া কোমড় ও বাঁধের কারণে স্রোত আটকানো ২০ ভাগ ভরাট হয়ে থাকে। নদীতে পানি না থাকায় আবাসস্থলের অভাবে বিলুপ্ত হচ্ছে দেশি মাছ। ঢাল কর্ষণ, কোমড় ও বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করে পুনঃখনন করলে আবার নাব্যতা ফিরে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর